
স্টাফ রিপোর্টার:
পলাশবাড়ী উপজেলা প্রতিটি ইউনিয়নে শ্যালোমেশিন দিয়ে ভূমির গভীর হতে প্রতিনিয়ত বালু উত্তোলন হচ্ছে। অবকাঠামো নির্মাণে বালুর প্রয়োজন থাকায় বালু উত্তোলন হলেও নেওয়া হচ্ছেনা কোন নির্দিষ্ট বালু মহালের নির্দেশনা। ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের সুলতানপুর বাড়াইপাড়া রাস্তা পাকাকরণের জন্য ব্রীজের ঠিক উত্তরে ২টি শ্যালোমেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করছে আব্দুল মান্নান নামক এক ব্যক্তি। একই ইউনিয়নের প্রজাপাড়া এলাকায় মৎস্য নদী হতে বালু উত্তোলন করে বিশাল মজুদ গড়ে তুলেছেন মোঃ আলম মিয়া, পিতা- আকবর আলী, সাং- সুলতানপুর বাড়াইপাড়া। ২নং হোসেনপুর ইউনিয়নে নুরুন্নবী মিয়া, পিতা- বদিউজ্জামান শ্রীকলা গ্রামের শ্রীকলা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিমে এর অবস্থান। এ স্থান হতে শ্যালোমেশিন দিয়ে একই স্থান থেকে দীর্ঘ ৫ মাস থেকে বালু উত্তোলন হচ্ছে। একই ইউনিয়নে করিয়াটা নামক গ্রামে সিদ্দিক মিয়া বালু উত্তোলন করছে প্রায় দেড় বৎসর হতে। উক্ত ইউনিয়নের ঝাপড় গ্রামের আমজাদ হাজীর পুকুর হতে বালু উত্তোলন করছে ৪নং বরিশাল ইউনিয়নের সর্বঙ্গ ভাদুরিয়া গ্রামের বালু মজিদ মিয়ার শ্যালোমেশিন দিয়ে। এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ প্রতিবেদক-কে জানায়, এ বিষয়ে আপনি নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে কথা বলুন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মেজবাউল হোসেন জানান, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভ্রাম্যমান আদলতের মাধ্যমে বিচারও প্রদান করা হচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনে আরও জোরালো ভূমিকা পালন করবে উপজেলা প্রশাসন। উল্লেখ্য, পলাশবাড়ী উপজেলা জুড়ে কৃষি উপযোগী মাটি হওয়ায় বালু মহাল তৈরির নির্দিষ্ট কোন স্থান নেই বললেই চলে। তবুও ভূমি আইন উপেক্ষা করে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় বালু উত্তোলন চলছেই। অবকাঠামো নির্মাণে বালু প্রয়োজন হওয়ায় নির্দিষ্ট একটি নির্দেশনার অপেক্ষায় পলাশবাড়ীবাসী।