
এখন থেকে সব সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা নির্বাচন ইভিএমের মাধ্যমে হবে। যেখানে উপজেলা পরিষদ বা ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে, ভৌগোলিক কিছু বিচ্ছিন্নতা আছে, কম্প্যাক্ট এরিয়া নয়, যেগুলোতে বিদ্যুৎ আছে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো সেসব উপজেলায় ইউনিয়ন পরিষদ বেছে বেছে ইভিএমে ভোটগ্রহণ হবে।
বুধবার কমিশনের বৈঠক শেষে ইসির সচিবালয়ের সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান। এর আগে, বিকেল ৩টায় ‘সব ধরনের নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার’ র্শীষক বৈঠকে বসে ইসি।
ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, এখন থেকে সব সিটি করপোরেশন ও পৌর নির্বাচন ইভিএমের মাধ্যমে করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলার ক্ষেত্রে যেখানে বিদ্যুৎ ও যোগাযোগব্যবস্থা ভালো পাওয়া যাবে, সেখানে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া আগামী সংসদ নির্বাচনে শতভাগ না হলেও অন্তত ফিফটি পারসেন্ট আসনে ইভিএম ব্যবহার করার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, আমরা ৩ হাজার ৮২৫ কোটি টাকার একটা প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা দেড় লাখ ইভিএম সংগ্রহ করেছি। এগুলো তো সংগ্রহ করে রাখার জন্য নয়। জাতীয় নির্বাচনের আগেই প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহে এই প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল। সরকার বলেছে, সব জায়গায় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। সুতরাং নির্বাচন কমিশনেও এটা ব্যবহার করা হোক। এতগুলো ইভিএম আছে, কেন আমরা তা ব্যবহার করব না।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিএমটিএফ (মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি) মেশিনগুলো ইসিকে সরবরাহ করেছে বলেও জানান সচিব।
সচিব আরও বলেন, সব ধরনের নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হবে। প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা হলো দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রচলিত যে অনিয়মগুলো হয়, সেটা আর হবে না, ভোটারদের আস্থাটা বাড়বে। সচিব জানান, কাল থেকে এক মাসব্যাপী ভারতে যে লোকসভা নির্বাচন হবে, সেখানেও ইভিএমের মাধ্যমে ভোট হবে।