
দাম্পত্য দ্বন্দ্ব-কলহ ও অশান্তি বাড়ছে। পাল্লাদিয়ে বাড়ছে পরকীয়ার দৌরাত্ম। শুধু দেশ-বিদেশই নয়।পলাশবাড়ী বা গাইবান্ধাই নয়। বগুড়া-রংপুর বা খোদ রাজধানী’ও নয়। সারাবিশ্ব নীরব ক্রিকেট জুয়ায় নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। সর্বত্রই একই পরিস্থিতি বিরাজমান। ক্রিকেট জূয়া’য় ভাসছে পলাশবাড়ী সদরসহ উপজেলার সর্বত্র। ভাসছে সারাবিশ্ব। নীরব এবং গোপন জুয়া’য় কেউবা হারছে-কেউবা জিৎছে। হারজিৎ-এর পালাক্রমে সবারই মাঝে বিরাজ করছে একটি অশুভ অস্থিরতা।
ক্রিকেট খেলার প্রতিটি শাখা-প্রশাখার রন্ধে-রন্ধে মরণ জুয়া যেন কিছুতেই থামছে না। বেড়েই চলেছে।
পাল্লাদিয়ে বাড়ছে নানা অশান্তির প্রেক্ষাপট।
একমাত্র পলাশবাড়ী উপজেলা সদর ও শহরতলী ছাড়াও পাড়ামহল্লার সর্বত্র একই অবস্থা। জুয়ায় যোগ দিয়েছেন নানা শ্রেনী-পেশার ভিন্ন বয়সের জুয়ারীরা।এসব এলাকার ছোট্ট-বড় চা-স্টলসহ ফুটপাতের টিভি ওয়ালা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো দেখতে যেন এক-একটি মিনি সিনেমা হলে পরিণত হয়েছে। যা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা দুরুহ। অবিশ্বাস্য হলেও সত্য এসব দোকানে কেনা-বেচার ভিঁরভাট্টা চোখে পড়ার মত।
এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে যে সমস্যাটা দেখা দিয়েছে তা হলো দাম্পত্য কলহের জের দিন-দিন বেড়েই চলেছে। রাত-দিন জুড়ে ক্রিকেট জুয়ায় মজে থাকায় যুবসমাজ নানা অপরাধ প্রবনতার দিকে ঝুঁকে পড়ছে।বাড়ছে নানা সামাজিক অস্থিরতা। বাড়ছে চুরি-ছিনতাই ও ডাকাতিসহ নানা অপরাধ। অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় যুবসমাজ অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। ব্যক্তি জীবনে নানা অস্থিরতার সাথে স্বামী-স্ত্রী’র মধ্যে বাড়ছে পরস্পর নানা বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দৌরাত্ম। আর এসব কারনে বাড়ছে পরস্পর পরকীয়া প্রেমেরর দৌরাত্ম।পারিবারিকসহ দাম্পত্য জীবনে বাড়ছে নানা অশান্তি।এসব একই সূত্রে গাঁথা। গৃহস্বামী সম্পর্ক করছেন অপর কোন নারীর সাথে। আবার তেমনি স্ত্রী’ও পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলছেন অপর কোন পুরুষের সাথে।সবমিলিয়ে সামাজিকভাবে হাতেগোনা কতিপয় পারিবার ছাড়া প্রায় পরিবারেই এসব পরিস্থিতির কারনে ভূক্তভোগি পরিবার গুলোর স্বাভাবিক পরিবেশ-পরিস্থিতি হয়ে পড়ছে অস্বাভাবিক। দিন-দিন বাড়ছে পারিবারিক-সামাজিক নানা দ্বন্দ্ব-কলহ। অশান্তি-হতাশাগ্রস্থ হয়ে বিভিন্ন অবক্ষয়ে নিমজ্জিত হয়ে পড়ছে ভূক্তভোগি পরিবারগুলো। প্রশ্ন একটি তাহলো এমন অসহনীয় পরিস্থিতি থেকে পরিত্রানের উপায় কি?