
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কোন কারিগরি হয়েছে বা সেই কারিগরির কোন উপলব্ধি ভাইস-চ্যান্সেলরের বাসভবনে হয়েছে কিনা সেটা জানা যাবে দু-একদিন পর।’
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শাহিদা রফিক, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ প্রমুখ।
বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, গতকাল (সোমবার) ডাকসুর ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল। ডাকসুতে ১৯৭৩ সাল ছাড়া আর কখনোই ভোট ডাকাতির মহা জালিয়াতির ঘৃণ্য ঘটনা ঘটেনি।
মিডনাইট ভোটের সরকারের ফতোয়া গুনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ‘ভূতের বেগার’ খেটে বিশ্ববিদ্যালয় সুমহান ঐতিহ্যকে ধুলোয় লুটিয়ে দিলেন।
‘সরকার যেহেতু বিরোধীদের এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়তে নারাজ তাই অজ্ঞাবাহি ঢাবি ভিসি ডাকসু নির্বাচন করলেন প্রহসন ও সন্ত্রাসী বার্তাবারণে। সিইসির অতৃপ্ত আত্মাকে নিজের দেহে ধারণ করলেন ঢাবির ভিসি।’ বলেন, বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতা রিজভী।
তিনি বলেন, প্রখ্যাত কবি আল মাহমুদ তার এক কবিতায় লিখেছেন ‘জানতে সাধ জাগে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কি ডাকাতদের গ্রাম?’ তিনি কেন এই কবিতা লিখেছিলেন আমি জানি না বলেন রিজভী। এই বরণ্যে কবির উক্ত কবিতার লাইনটি প্রমাণ করল গতকাল ছাত্রলীগ। তবে এই ছাত্রলীগ নামধারী বর্গীয় ও মকদের অভয়ারণ্যের মধ্যেও উদ্দীপ্ত প্রাণের সাহসী তরুণরা ভোট ডাকাতির বিরুদ্ধে রক্তে রঞ্জিত হয়েও প্রতিবাদ করেছেন।
রিজভী বলেন, আমি মনে করি এই প্রতিবাদে অংশ নিয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, কোটা সংস্কার আন্দোলনের ছাত্ররা ও বাম ছাত্র সংগঠনগুলো প্রমাণ করেছে তারা আলোর পথের যাত্রী।
তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কোন কারিগরি হয়েছে বা সেই কারিগরির কোন উপলব্ধি ভাইস-চ্যান্সেলরের বাসভবনে হয়েছে কিনা সেটা জানা যাবে দু-একদিন পর।’