
গাইবান্ধা জেলা পলাশবাড়ী উপজেলা জুড়ে অর্ধশত অবৈধ ইটভাটা মাটি সংগ্রহ করা হচ্ছে ভুূমি আইন লংঙ্ঘণ করে। প্রতিনিয়ত উপজেলার বিভিন্ন মৌজার আবাদী জমি হতে এভাবে ভেকু, ট্রাক্টর ট্রলি দিয়ে চলে মাটি সংগ্রহের অবৈধ কার্যক্রম ও এসব যত্রতত্র গড়ে উঠা ইটভাটায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ পোড়ানো সবসময়। এসব অবৈধ ইটভাটায় অবৈধ কার্যক্রম চলার পরেও এই ইটভাটা গুলোর ও ইটভাটা মালিকগণের বিরুদ্ধে অদৃশ্য কারণেই নেওয়া হয় না আইনগত কোন ব্যবস্থা। বার বার ভূমি আইন ও পরিবেশ আইন লংঙ্ঘণ করে এমন কার্যক্রম চলায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে উপজেলা জুড়ে সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের মাঝে চলে নানা জল্পনা কল্পনা।
অবশেষে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ২৩ জানুয়ারী বুধবার পলাশবাড়ী উপজেলা সদরের আমবাড়ী নামক স্থানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনান(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আরিফ হোসেন । এসময় ১ নং খাস খতিয়ানভুক্ত সরকারি জমি হতে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ এর ৪(খ) ধারা লংঘনের দায়ে সংশ্লিষ্ট আইনের ১৫(১) ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ইমরান ও সরিফুল কে ৩ (তিন) মাস করে বিনাশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করা হয়।
আদালত পরিচালনাকালে ০৪( চার)টি ট্রাক্টর (কাঁকড়া) জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ট্রাক্টরগুলো পলাশবাড়ী থানা হেফাজতে রয়েছে।
অপরাধের মূল হোতা মোখলেছুর রহমান (তারা), পলাশবাড়ী উপজেলা সদরের আমবাড়ী গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে কৌশলে পালিয়ে যান।
তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করার জন্য মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর ৬(৪) ও ৬(৫) ধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহনে পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ হিপজুর আলম মুন্সি কে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) আরিফ হোসেন। তিনি আরও বলেন, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।