
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে যাচ্ছে। যারা যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নির্বাচনের মাঠে নেমেছে, তাদের উপযুক্ত জবাব দিতে হবে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে। আমি সারা দেশবাসীর কাছে আবেদন জানায়-যুদ্ধাপরাধী, খুনি, অগ্নিসন্ত্রাসীরা যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারে সে জন্য নৌকায় ভোট দিন। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আরও একবার আওয়ামী লীগকে জনগণের সেবা করার সুযোগ দিন।’
বুধবার বিকেল ৪টার দিকে শেখ লুৎফর রহমান কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণের জনসভা মঞ্চে উপস্থিত হন শেখ হাসিনা। তার সঙ্গে রয়েছেন ছোটবোন শেখ রেহানা।
তিনি বলেন, ‘আমার পিতার হত্যাকাণ্ডের পর আমি দেশে আসতে পারিনি। আমি যাতে দেশে আসতে না পারি সে জন্য আমাকে নানা নানা বাধা দেওয়া হয়েছি। এরপর ১৯৮১ সালে দেশে আসি। আমি তখন নিঃস্ব-রিক্ত। আপনাদের মাঝে খুঁজে পেয়েছিলাম আমার হারানো বাবার স্নেহ, হারানো মায়ের স্নেহ।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাকে মারার জন্য কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে রাখা হয়েছিল। যে বোমা পুঁতেছিল সেও কোটালীপাড়ার সন্তান। কিন্তু যে বোমা খুঁজে পেয়েছিল সেও একজন চায়ের দোকানদার। আমি ওই সময় প্রাণে বেঁচে গিয়েছি। সে চা দোকানদার বোমা উদ্ধার করেছিল আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি জানি সে আজকে এই জনসভায় উপস্থিত আছে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ আমি জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। যেখানে যাকে নৌকা মার্কার প্রার্থী করা হয়েছে তাদের ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আপনারা স্বাধীনতা পেয়েছেন। বাংলাদেশ আজ মাথা উঁচু করে চলতে পারে। আবারও মা-বোনদের কাছে ভোট চাই। নৌকায় ভোট দিয়ে কেউ বঞ্চিত হয় না।’