
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বীর মুক্তিযোদ্ধা বীরপ্রতীক তারামন বিবির মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবির অসামান্য অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে তারামন বিবি অস্ত্র হাতে নিয়ে যে সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন, তার সেই অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রী তার রুহের শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করেন এবং তারামন বিবির শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার নিজ বাসভবনে ভোররাতে তারামন বিবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবির ইন্তেকালে শোক প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশে বীর প্রতীকের মর্যাদায় ভূষিত দুইজন নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন তারামন বিবি।
আজ এক শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবির ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অবদানের কথা স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, জাতি এবং স্বাধীনতা প্রিয় জনগণ চিরকাল তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
আবদুল হামিদ মরহুমার রুহের শান্তি ও মুক্তি কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
তারামন বিবি কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর উপজেলার মাধবপুর গ্রামে গতরাতে ইন্তেকাল করেন। তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ডায়াবেটিকস ও ফুসফুসের সমস্যায় ভুগছিলেন।
তারামন বিবি তার স্বামী আবদুল মজিদ, এক কন্যা ও এক পুত্র রেখে গেছেন।
তারামন বিবি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন।