1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
২৩শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় র‌্যাবের অভিযানে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার গাইবান্ধা-৩ আসনে ১৪৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৬টি ঝুঁকিপূর্ণ সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই দুর্নীতি,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজি দূর করা সম্ভব- এটিএম আজহারুল ইসলাম পীরগঞ্জ পৌরশহরের ১ নং ওয়ার্ডে রাস্তা দখল করে নির্মাণকাজ আইন লঙ্ঘন, জনভোগান্তি ও নীরব প্রশাসন গাইবান্ধায় জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালন ফুলছড়ির দুর্গম চরে সেনাবাহিনীর নির্বাচনী মহড়া জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় অভিযুক্তের জামিন সকল ধর্মের মানুষকে ধারণ করে বাংলাদেশ গড়তে চাই: রাজশাহীতে জামায়াত আমির লাশ পোড়ানোর মামলায় ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড ও সাত আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড একুশে পদক পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও একটি সংগীত দল

মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

  • আপডেট হয়েছে : শনিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৮
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক

মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭৬ সালের এই দিনে উপমহাদেশের বিদগ্ধ এ রাজনীতিবিদ ইন্তেকাল করেন।

মওলানা ভাসানী তার দীর্ঘ কর্মময় জীবনে সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সমাজ-রাষ্ট্রে তাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। তিনি ছিলেন নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের মুক্তির আন্দোলন-সংগ্রামের অগ্রণী কিংবদন্তি।

নানা আয়োজনে দিবসটি পালন করছে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।

টাঙ্গাইলের সন্তোষে মরহুমের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনাসভা ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খতমে কোরআন, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনাসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এছাড়া মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও গ্রহণ করেছে পৃথক কর্মসূচি।

মওলানা ভাসানী মৃত্যুবার্ষিকী পালন জাতীয় কমিটি, বিএনপি, ভাসানী স্মৃতি পরিষদ, ন্যাপ-ভাসানীসহ বিভিন্ন সংগঠন পৃথক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

মাওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।

এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর আদর্শ নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া বাণীতে বলেছেন, বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশে ভাসানীর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

১৮৮০ সালের ১২ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের ধানগড়া গ্রামে মওলানা ভাসানীর জন্ম। সিরাজগঞ্জে জন্ম হলেও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তার জীবনের সিংহভাগই কাটিয়েছেন টাঙ্গাইলের সন্তোষে। সন্তোষের মাটিতেই তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।

মাওলানা ভাসানী ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম তৃণমূল রাজনীতিবিদ ও গণআন্দোলনের নায়ক ছিলেন। তিনি ১৯৪৭-এ সৃষ্ট পাকিস্তান ও ১৯৭১-এ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দেশের মানুষের কাছে ‘মজলুম জননেতা’ হিসাবে সমধিক পরিচিত। ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট গঠনকারী প্রধান নেতাদের মধ্যে অন্যতম মাওলানা ভাসানী। স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেন তিনি।

কাগমারী সম্মেলন

কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানীর কঠোর ভাষণ এবং তার ‘আসসালামু আলাইকুম’ যে বিতর্কের সূচনা করে তাতে প্রধামন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী যিনি আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাও বটে, বিব্রত হন, পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আনতে তিনি মওলানা ভাসানীর সমর্থনে একটি নমনীয় বিবৃতিও প্রদান করেন, যা ৫৭-র ১৬ ফেব্রুয়ারি দেশের সমস্ত পত্র-পত্রিকার প্রকাশিত হয়।

কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানী স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলেন, পক্ষান্তরে সম্মলন থেকে ঢাকায় ফিরে সলিমুল্লাহ হলে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ঘোষণা করেন, পূর্ব পাকিস্তানের ৯৮% স্বায়ত্তশাসন অর্জিত হয়ে গেছে। এই নিয়ে দুই দল ছাত্রদের মধ্যে প্রচ- মারামারিও হয়।

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী আওয়ামী লীগের কাউন্সিল সভায় বামপন্থিদের সাথে একটি বোঝাপড়ার চেষ্টা চালান, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়। ১৯৫৫ সালের মে অধিবেশনের প্রস্তাবাবলী পূর্ব বাংলার পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন, পাকিস্তানের জোট নিরপেক্ষ বৈদেশিক নীতি, বাগদাদ চুক্তি বাতিলের দাবি ইত্যাদি নিয়ে সে সভায় দীর্ঘ আলোচনা চলে। কিন্তু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও তার সমর্থকদের মার্কিন ঘেঁষা ও পশ্চিম পাকিস্তানিদের সঙ্গে সহযোগিতার নীতির বিরুদ্ধে মওলানা ভাসানী ও তার অনুগতরা অবিচল থাকেন।

উভয় পক্ষই তাদের এই অনমনীয় মনোভাবের পরিণতি কি তাও তারা জানতেন। আদর্শগত অবস্থানের কারণে আওয়ামী লীগের ভাঙন অবশ্যসম্ভাবী হয়ে পড়ে।

সম্মেলনের পর ২৬ মার্চ ১৯৫৭ মওলানা ভাসানী একটি প্রচারপত্র বিলি করেন, যার শিরোনাম ছিল ‘আওয়ামী লীগ কর্মী ও দেশবাসীর প্রতি আবেদন’- ‘ভাইসব, উভয় পাকিস্তানের সংহতি ও মিলন নির্ভর করে একমাত্র আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন দানের উপর।

আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন ব্যতিত সাড়ে চার কোটি বাঙালির অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সমাজ জীবনে মুক্তি অসম্ভব।……….. গদীর মোহে মুসলীম লীগের সহিত হাত মিলাইয়া সারে চার কোটি বাঙালিকে চিরকালের জন্য কৃতদাস বানাইতে, আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি বিসর্জন দিয়া পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র পাস করে ছিল, তারাই পুনরায় সাম্রাজ্যবাদী ও কোটিপতি শোষকদের সহিত হাত মিলাইয়া বর্তমানে আমার এবং আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংবাদপত্রে বিবৃতি, পোস্টার, বিজ্ঞাপন ছড়াইয়া সারাদেশময় মিথ্যা প্রচার শুরু করেছে। এসব কুচক্রিদের দেশবাসী ভালো করেই চিনে।

তারা গত ৯ বছর ধরে পূর্ব পাকিস্তান তথা পাকিস্তানের অর্থনৈতিক কাঠামোকে চরম বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিয়েছে।’

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft