1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
২৩শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় র‌্যাবের অভিযানে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী গ্রেফতার গাইবান্ধা-৩ আসনে ১৪৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৫৬টি ঝুঁকিপূর্ণ সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই দুর্নীতি,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজি দূর করা সম্ভব- এটিএম আজহারুল ইসলাম পীরগঞ্জ পৌরশহরের ১ নং ওয়ার্ডে রাস্তা দখল করে নির্মাণকাজ আইন লঙ্ঘন, জনভোগান্তি ও নীরব প্রশাসন গাইবান্ধায় জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালন ফুলছড়ির দুর্গম চরে সেনাবাহিনীর নির্বাচনী মহড়া জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় অভিযুক্তের জামিন সকল ধর্মের মানুষকে ধারণ করে বাংলাদেশ গড়তে চাই: রাজশাহীতে জামায়াত আমির লাশ পোড়ানোর মামলায় ছয় আসামির মৃত্যুদণ্ড ও সাত আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড একুশে পদক পাচ্ছেন ৯ ব্যক্তি ও একটি সংগীত দল

আলোচিত সাত খুন মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

  • আপডেট হয়েছে : বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৮
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলায় ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করা হয় বলে জানা গেছে।

এর আগে গত বছরের ২২ আগস্ট হাইকোর্ট নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলার রায়ে কাউন্সিলর নুর হোসেন এবং সাবেক র‍্যাব অধিনায়ক তারেক সাঈদসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল রাখে।

এর আগে এই সাত খুন মামলা ২৬ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল নারায়ণগঞ্জের একটি আদালত।

এদের মধ্যে ১৫জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখে বাকি ১১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয় হাইকোর্ট। তাদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়। না দিলে আরো দুইবছরের সাজা ভোগ করতে হবে।

এছাড়া নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডের রায় হাইকোর্টেও বহাল থাকে।

আলোচিত এই মামলায় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আছেন র‍্যাবের একজন সাবেক অধিনায়ক তারেক সাঈদ এবং স্থানীয় একজন কাউন্সিলর নুর হোসেন। তারেক সাঈদ বাংলাদেশে বর্তমান সরকারের মন্ত্রী মায়ার জামাতা।

বিচারপতি ভবানী প্রসাদ সিংহ ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত বছরের ২২ আগস্ট এই রায় ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, ডেথ রেফারেন্স শুনানির পর আদালত এই আদেশ দেয়। ঘটনার পরে আর্মড ফোর্সেসের লোক, নেভির লোক, এয়ার ফোর্সের লোক ছিল, পুলিশের সদস্যরা ছিল, কিন্তু তারপরেও অতি সংক্ষিপ্ততম সময়ে তাদের বিচার হলো এবং শাস্তি হলো। এতে প্রমাণ হলো, আইনের উর্ধ্বে কেউ না, তা সে যতই শক্তিশালী হোক বা যে বাহিনীর অন্তর্ভূক্ত হোন না কেন।

আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেছেন, র‍্যাব মানুষের নিরাপত্তায় তারা যে কাজ করে তা প্রশংসনীয়। কিন্তু কতিপয় সদস্য যে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত হয়েছে, এর দ্বারা বাহিনীর সার্বিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার কারণ নেই।

দণ্ডিতদের মধ্যে ২৫ জনই র‍্যাবের সদস্য যারা সশস্ত্র বাহিনী বা পুলিশ থেকে সংস্থাটিতে প্রেষণে এসেছিলেন, যাদের মধ্যে রয়েছে লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং মেজর বা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার পদমর্যাদার কর্মকর্তাও। অভিযোগ ওঠার পর তাদের চাকরীচ্যুত করা হয়। কোন ফৌজদারি অপরাধে র‍্যাবের একসঙ্গে এত সদস্যের সাজা এর আগে আর হয়নি।

দণ্ডপ্রাপ্ত একজন আসামী সাবেক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরিফ হোসেনের আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, সংবিধান অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডের সাজাপ্রাপ্তদের আপীলের অধিকার আছে। পুরো রায়টা পাওয়ার পর আমরা পর্যালোচনা করে দেখবো, সেখানে কি বলা হয়েছে। এরপর আমি যার জন্য কাজ করেছি, তিনি যদি সম্মত হন বা পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেয়ার জন্য বলেন, তখন আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবো।

যাদের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দণ্ড দেয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে নয়জন নুর হোসেনের সহযোগী যাদের কেউ কেউ পলাতক বা ভারতের কারাগারে রয়েছে। আর দুইজন রয়েছে বাহিনীর সাধারণ সদস্য।

২৬ জুলাই এই মামলার আসামিদের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায়ের জন্য ১৩ই আগস্ট দিন ধার্য করে।

কিন্তু আদালত পরে রায় ঘোষণার দিন পিছিয়ে ২২ আগস্ট রায়ের দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত বছরের ১৬ জানুয়ারি এই মামলায় ২৬জনের মৃত্যুদণ্ড আর নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করে নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

কারাগারে থাকা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন। অন্যদিকে নিম্ন আদালতের রায় অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স আকারে নথি হিসাবে হাইকোর্টে আসে।

রায়ের পর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি বলেন, যে যেমন অপরাধ করেছে, সেই অপরাধ অনুযায়ী যার যার সাজা হয়েছে। অনেক বিপদ মোকাবেলা করতে হয়েছে। তারপর যে রায় পেয়েছি, আমি তাতে সন্তুষ্ট।

আরেকজন নিহত তাজুল ইসলামের পিতা আবুল খায়ের বলছেন, যে রায় পেয়েছি, তাতে আমরা সন্তুষ্ট। এখন সরকারের কাছে আবেদন এটাই যে, এই রায়টা যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়।

হত্যাকাণ্ডের প্রায় তিন বছর পর গত বছরের জানুয়ারি মাসে রায় হয় চাঞ্চল্য সৃষ্টিকারী এই মামলার।

২০১৪ সালের এপ্রিলের ২৭ তারিখ আদালত থেকে ফেরার পথে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ ৫ জন এবং আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার ড্রাইভারকে অপহরণ করা হয়।

এর তিনদিন পর শীতলক্ষা নদী থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft