
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইসরাইলি বাহিনী ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ঢুকে সাতজনকে হত্যা করেছে। নিহতদের মধ্যে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের শীর্ষস্থানীয় কমান্ডারও রয়েছেন। এছাড়া স্থানীয় কমান্ডারসহ আরও পাঁচ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরে প্রবেশ করে এক হামাস কমান্ডারকে হত্যা করে ইসরাইলি বাহিনী। কমান্ডার নিহত হওয়ার পর হামাস সদস্য ও স্থানীয়রা ইসরাইলি সেনাদের গাড়িটির ওপর হামলা চালালে দু’পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় শুরু হয়। খবর আল জাজিরা’র।
এ সময় ইসরাইলি সেনাদের গাড়িকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার জন্য এক জঙ্গিবিমান থেকে অন্তত ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। গুলি বিনিময় ও ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে হামাসের স্থানীয় কমান্ডার মোহাম্মাদ আল-কারাসহ আরো পাঁচজন ফিলিস্তিনি নিহত হন। ইসরাইল সীমান্ত থেকে গাজা উপত্যকার তিন কিলোমিটার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় এক ইসরাইলি এক সেনা নিহত ও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরাইল। অবরুদ্ধ গাজায় খেয়ালখুশি মতো অভিযান চালায় ইসরাইলি সেনারা। এছাড়া হামাস সদস্যের দোহাই দিয়ে যাকে খুশি তাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। বাদ যায় না নারীরাও।
এর প্রতিবাদ করলেই তাদের ওপর নেমে আসে নির্যাতন। এমন অভিযানের ভিডিওতে দেখা গেছে যে, শিশু থেকে আলাদা করে মাকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে ইসরাইলি সেনারা। দেশটির কারাগারে নারী ও শিশুসহ কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি আটক রয়েছেন।
চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে নিজভূমিতে ফেরার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে ফিলিস্তিনিরা। নিজেদের ভূমিতে দাড়িয়ে আন্দোলন করলেও সেখানে সরাসরি গুলি চালিয়ে কয়েকশত ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। সারা বিশ্ব ইসরাইলের এমন আচরণের তীব্র নিন্দা জানালেও সবচেয়ে কাছের বন্ধু যুক্তরাষ্ট্রের আশির্বাদের হাত মাথায় নিয়ে যা খুশি তাই করে যাচ্ছে ইসরাইল- এমনটিই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।