
জম্মু-কাশ্মীরের কুলগাম জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচ বেসামরিক ব্যক্তিসহ আট জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে তিন হিজবুল মুজাহিদীদ সদস্য রয়েছে। ওই ঘটনায় সেনাবাহিনীর দুই সদস্য আহত হয়েছে।
আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার দক্ষিণ কাশ্মীরের লারো এলাকায় সংঘর্ষে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর পার্সটুডে’র।
এদিকে, বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হওয়ার প্রতিবাদে আগামীকাল সোমবার যৌথ প্রতিরোধ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে কাশ্মীর উপত্যকায় সর্বাত্মক বনধের ডাক দেয়া হয়েছে। হুররিয়াত কনফারেন্সের একাংশের চেয়ারম্যান মীরওয়াইজ ওমর ফারুক ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, ‘দক্ষিণ কাশ্মীরের লারো এলাকায় সন্ত্রাসীদের উপস্থিতির কথা জানতে পেরে গোটা এলাকায় সেনাবাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ ও পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের সদস্যরা যৌথভাবে ঘেরাও ও তল্লাশি অভিযান চালায়। এসময় লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করলে নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে দুজন সেনা সদস্য আহত হয়। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
সেনা সূত্রকে উদ্ধৃত করে গণমাধ্যমে প্রকাশ করে, সংঘর্ষ শেষ হলে সেখানে বেসামরিক মানুষ যেতে চাইলে সেনাবাহিনী তাদেরকে নিষেধ করে। কারণ সন্ত্রাসীরা যে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক নিয়ে এসেছিল সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার দরকার ছিল।
কিন্তু সেনাবাহিনীর পরামর্শ উপেক্ষা করে মানুষজন সেখানে গেলে সেখানে মজুদ বিস্ফোরক ফেটে গেলে ১২ জন আহত হয়। এদিকে, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে জেলায় মোবাইল ও ইন্টারনেট পরিসেবা স্থগিত করা হয়েছে