
হিন্দু সম্প্রদায়ের চণ্ডীপাঠ, বোধন এবং দেবীর অধিবাসের মধ্য দিয়ে গতকাল সোমবার থেকে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হয়েছে। গতকাল ছিল মহাষষ্ঠী। দেবীর প্রাণ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে উৎসবের শুরু হলো। গতকাল দেবী আসনে আসীন হয়েছেন। মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল দেবী দুর্গার আগমনের ণগণনা। এবার দেবী আসছেন ঘোড়ায় চড়ে, যাবেন পালকিতে চেপে।গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী ৯ ইউনিয়ন জুরে শান্তি পূর্ণ পরিবেশে পালিত হচ্ছে শারদীয় দূর্গোৎসব ।এবারে এ উপজেলায় ৬১ টি মন্ডপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দূর্গোৎসব। পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ হিপজুর আলম মুন্সির নির্দেশে আজ ১৬ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের মায়ামনি মন্দির,শীলপাড়া,সগুনা,সহ বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন পলাশবাড়ী থানার পুলিশ পরিদর্শক ওসি তদন্ত মোস্তাফিজুর রহমান । এসময় তার সঙ্গে উপস্তিত ছিলেন থানার এস আই হাবিব, সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম,সাংবাদিক আশরাফুজ্জামান সরকারসহ সঙ্গীয় থানা পুলিশ সদস্যরা।
আজ ১৬ অক্টোবর মঙ্গলবার মহাসপ্তমী। সকাল সোয়া আটটায় নবপত্রিকা প্রবেশ ও সপ্তমীবিহিত পূজা শুরু হবে। পূজা শেষে পুণ্যার্থীরা উপবাস পালন করে অঞ্জলি দেবেন। রাত ১১টা থেকে দেবীর অধরাত্রবিহিত পূজা অনুষ্ঠিত হবে।গতকাল ১৫ অক্টোবর সোমবার থেকে শুরু হয়ে পাঁচ দিনব্যাপী চলবে এই শারদীয় দুর্গোৎসব।
এসময়ে গাইবান্ধা জেলার ৬শ’ ৬২টিসহ সারাদেশের ৩০ হাজারের বেশী পূজামণ্ডপগুলো ঢাকের বাদ্যে মুখরিত হয়ে থাকবে। পূজারি ও ভক্তদের অন্তর উদ্বেলিত হবে। সবাই শামিল হবে পৃথিবীর সব আসুরিক শক্তির বিরুদ্ধে বিজয় ও মানুষের কল্যাণ প্রতিষ্ঠার প্রার্থনায়।