
রাজধানীর রূপনগর থানা হাজতে মো. কাওসার (১৯) নামে এক ধর্ষণ মামলার আসামি গলায় ফাঁস লাগিয়ে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। রূপনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. শাহ-আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতেই এক তৈরি পোশাককর্মীর দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। মামলার বাদী পোশাককর্মীকে আজ শুক্রবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। দুজন একে অপরের পরিচিত। পোশাককর্মী বিবাহিত।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. শাহ-আলম জানান, গত বুধবার রূপনগর থানার দুয়ারীপাড়া এলাকায় ২৪ বছরের এক নারীকে খাবারের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে ধর্ষণ করেন কাওসার। পরদিন বৃহস্পতিবার আশেপাশের লোকজন বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে আটকে রেখে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে রূপনগর থানায় নিয়ে আসে। ওই নারীকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
কিন্তু শুক্রবার ভোরে থানা হাজতেই নিজের পরিধেয় পোশাক গলায় পেঁচিয়ে ফাঁস দেন কাওসার। তাৎক্ষণিক পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাওসারকে মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আরো দাবি করেন, কাউসার থানার হাজতখানায় আটক ছিলেন। ভোরের দিকে তিনি হাজতের ভেতরে রডের সঙ্গে নিজের শার্ট দিয়ে গলায় ফাঁস দেন। তাঁকে উদ্ধার করে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সকাল সোয়া ৯টায় মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনর্চাজ এসআই মো. বাচ্চু মিয়া জানান কাওছারের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।