1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
১৯শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধা-৩ আসনে এমপি প্রার্থী বাইসাইকেলের কাঁধে ঢেঁকি রেখে একক প্রচারণা গাইবান্ধায় ধানের শীষের সমর্থনে দলিল লেখক সমিতির বিশাল মিছিল পলাশবাড়ীতে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে বেকার যুবক-যুবতীদের চাকুরী মেলা উদ্বোধন পলাশবাড়ীর কালীবাড়ি বাজার মুরগি হাটিতে সহিংসতা, আহত ব্যবসায়ী রংপুর মেডিকেলে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা ও জবাবদিহিতার প্রশ্ন সাদুল্লাপুরে জামায়াতের বিশাল জনসভা ও গণমিছিল মেধায় অনন্য দৃষ্টান্ত পলাশবাড়ীর মেয়ে মাইশার গাইবান্ধায় জিইউকে-এর উদ্যোগে তিন মাসব্যাপী কারিগরি প্রশিণের উদ্বোধন জামায়াতের নেতাদের ওপর ইচ্ছাকৃত সাইবার আক্রমণের অভিযোগ ‘গভীর ষড়যন্ত্রের’

‘বুড়িমারী ও মোংলায় বছরে প্রায় ২৩ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য’

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

বুড়িমারী স্থলবন্দর ও শুল্ক স্টেশন এবং মোংলা বন্দর ও কাস্টম হাউজের আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়ায় বছরে প্রায় ২৩ কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যের তথ্য উঠে এসেছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গবেষণায়।

২৩ সেপ্টেমবর রোববার রাজধানীতে দুটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি। দেশের অর্থনীতিতে বুড়িমারী স্থলবন্দর ও মোংলা বন্দর ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। এই দুই বন্দরের সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরনের উপায় নিয়ে পরিচালিত টিআইবির গবেষণায় ব্যাপক দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে।

বুড়িমারী স্থলবন্দরে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে শুল্ক স্টেশনে ঘুষের লেনদেন হয়েছে দুই কোটি ৮৫ লাখ টাকা। আর বন্দর কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে হয়েছে ৪৮ লাখ টাকা। এ ছাড়া শ্রমিক ইউনিয়নের মাধ্যমে বছরে ট্রাক থেকে চাঁদা তোলা হয় পাঁচ কোটি চার লাখ টাকা। অন্যদিকে মোংলা বন্দরের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় ২০ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেন হয়।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘দুই প্রকার দুর্নীতি। একটি হচ্ছে যোগসাজশের দুর্নীতি, অন্যটি বলপূর্বক অর্থ আদায়ের দুর্নীতি, যেটি ঘুষ আদায়ের মাধ্যমে। তা উভয় বন্দরেই দেখতে পেয়েছি। এটা এক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিকতায় রূপ নিয়েছে। সেখানে যারা অংশীজন তাদের সবারই এক ধরনের সিন্ডিকেটের মতো যোগসাজশ আমরা দেখতে পাই।’

সেবাগ্রহীতারা বন্দরের দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানির শিকার হওয়ার ভয়েই ঘুষ দিয়ে থাকে বলে জানায় টিআইবি। সেই সঙ্গে শুল্কফাঁকির জন্যও অনিয়মের পথ বেছে নিচ্ছে বলে জানায় সংস্থাটি। বন্দরের ডিজিটাইজেশন এবং অবকাঠামোগত দুর্বলতা নিরসন করা গেলে দুর্নীতি অনেকাংশেই কমানো সম্ভব বলে মনে করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যদি দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ সত্যিকার অর্থে আমরা চাই, কর্তৃপক্ষ চায় তাহলে সেটা সম্ভব, শুধু যেটা দরকার সেটা সদিচ্ছা। যারা দুর্নীতির সাথে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে এ ধরনের বার্তা পৌঁছানো যে অনিয়ম করলে, দুর্নীতি করলে শাস্তি পেতে হয়।’

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft