1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
১৮ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৩ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সাদুল্যাপুরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাদুল্লাপুরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে সংবর্ধনা গোবিন্দগঞ্জে ৪২০ রাউন্ড কার্তুজসহ ৬৮টি আগ্নেয় অস্ত্র জমা সব দলকে নিয়ে নির্বাচন করলে রাজনৈতিক সমাধান ও স্থিতিশীলতা আসত-শামীম হায়দার পাটোয়ারী পলাশবাড়ীতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্ষেতমজুর সমিতির নেতা কমরেড একরাম হোসেন বাদল-এঁর স্মরণে শোক সভা গাইবান্ধা সদর-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী গণমিছিল গাইবান্ধায় সর্বদলীয় হ্যাঁ ভোট ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত সাদুল্লাপুরে জামায়াতের জনসভা ও গণমিছিল উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাইলেন পলাশবাড়ীর ইউএনও শেখ জাবের আহমেদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান তারেক রহমানের

তুরস্ক কারো কোনো বেআইনি আবদারকে বিবেচনায় নেবে না: এরদোগান

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার মানবিজ শহর থেকে ওয়াইপিজি বা People’s Protection Units কে তুলে নেয়ার ব্যাপার তুরস্কের সাথে যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করেছে তার বাস্তবায়ন করতে গড়িমসি করছে।

এরদোগান আরো বলেন, চলমান সংঘাতের জের ধরে তিনি চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের একটি সভায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে তার পূর্ব নির্ধারিত বৈঠক বাতিল করেছেন।

‘এই কাজটি (সিরিয়া থেকে People’s Protection Units কে তুলে নেয়ার উদ্যোগ) অনেক দেরি হয়ে গেছে। আমাদেরকে এই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে। এ বিষয়ে চুক্তিভুক্ত দেশগুলো এখন কোনো আদর্শগত দিকে নেই। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আমাদের করা চুক্তি কোনো সঠিক সমাধানে পৌছেনি।’ -সেপ্টেম্বরের ৩ তারিখে বিশকেক সম্মেলন থেকে ফিরে আঙ্কারায় এক সংবাদ সম্মেলনে এরদোগান এমনটি জানান।

এরদোগান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তার দেশের করা চুক্তি বলতে বুঝিয়েছেন, চলতি বছরের জুন মাসের ৪ তারিখে এরদোগানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট সেক্রেটারি মাইক পম্পেও সিরিয়ার মানবিজ শহর থেকে ওয়াইপিজি বা People’s Protection Units কে সরিয়ে নিতে এক চুক্তি স্বাক্ষর করেন। ওই চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়াতে পিকেকে সন্ত্রাসীদের প্রতি সমর্থন তুলে নিবে এবং সেখানে তুরস্ক এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনীর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে প্রচেষ্টা চালাবে।

তুরস্কের কর্মকর্তাদের মতে, মানবিজ শহর থেকে ওয়াইপিজির কার্যক্রম তুলে নেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল চলতি মাসের ৪ তারিখে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা এখনো চুক্তি অনুযায়ী সেখানে যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম শুরু করেনি।

এরদোগান এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র শিগগিরই তাদের কার্যক্রম শুরু করবে যাতে করে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাভুসোগলু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকার যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের সাথে ভবিষ্যতে এ ব্যপারে আলোচনা চালিয়ে যেতে পারে।

‘আমি আশা করি যুক্তরাষ্ট্র শিঘ্রই তাদের কার্যক্রম হাতে নিবে এবং সাথে সাথে তারা মানবিজ ও তেলরিফাতের বিষয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিবে’- এরদোগান এমনটি জানান।

জেফরির নিয়োগ একটি সঠিক সিদ্ধান্ত
এরদোগান মানবিজ শহরে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতাকে সমালোচনা সত্বেও সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক চলতি মাসের ৪ তারিখে জেমস জেফরি নামের একজন বিশেষজ্ঞের নিয়োগকে স্বাগত জানিয়েছে আঙ্কারা। আর সেই বিশেষজ্ঞকে তুরস্কের সাথে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করার জন্য আমন্ত্রণ জানায় তুরস্ক। প্রসঙ্গত, জেফরি ইতোপূর্বে ২০০৮-২০১০ সাল পর্যন্ত তুরস্কে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক হিসাবে কর্মরত ছিলেন এবং পরবর্তীতে তাকে বাগদাদে নিযুক্ত করা হয়েছিল।

‘আমি জেফরির নিয়োগকে একটি সঠিক সিদ্ধান্ত হিসাবে মনে করি’।–এরদোগান এমনটি বলেন। আঙ্কারা সিরিয়াতে জেফরির নিয়োগকে ইতিবাচক হিসাবে দেখছে কারণ এর পূর্বে সিরিয়াতে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের আরেক কর্মকর্তা ব্রেত ম্যাকগ্রুকের কর্মকান্ড আঙ্কারাকে ক্ষুদ্ধ করেছিল।

নিউইয়র্কে ট্রাম্পের সাথে এরদোগানের দেখা নাও হতে পারে
এরদোগান বলেন, তুরস্কে আটক যুক্তরাষ্ট্রের ধর্মযাজক এন্ড্রু ব্রানসনকে মুক্তি দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া এখনো চলমান আছে এবং তুরস্ক এ ব্যাপারে ওয়াশিংটনের ‘কোনো প্রকার অযৌক্তিক দাবিকে পরিপূরণ করবে না’।

যুক্তরাষ্ট্র ধর্মযাজক ব্রানসনকে তাৎক্ষণিক মুক্তির আহ্বান জানায় অন্যথায় দেশটি পুণরায় নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে বলে হুমকি দেয়ার পরপরই এরদোগান যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘তুরস্ক তার আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে এবং কারো কোনো প্রকার বেআইনি আবদারকে বিবেচনায় নেবে না’।

‘অধিকন্তু যুক্তরাষ্ট্রে আটক তুর্কি রাষ্ট্রায়ত্ব হাল্ক ব্যাংকের পরিচালক হাকন আতালিয়ার সাথে সেখানে কি হচ্ছে তা সবার কাছেই পরিষ্কার।’

‘হাল্ক ব্যাংক এবং এর পরিচালকের কি ভুল ছিল? তাদের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার সাক্ষ্য প্রমাণ নেই। তারা আইনের কোনোরূপ তোয়াক্কা করে না। তারা মনে করে, আমরাই ঠিক কারণ আমরা শক্তিশালী।’- এরদোগান এভাবেই যুক্তরাষ্ট্রকে দোষারোপ করে কথাগুলো বলেন।

‘এধরনের কার্যক্রম সঠিক নয়। একজন কৌশলগত সহযোগীর সাথে এধরনের আচরণ মেনে নেয়া যায় না। আমি একজন প্রেসিডেন্ট হিসাবে আমার দেশকে ১৬ বছর যাবৎ সেবা দিয়ে যাচ্ছি। যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সকল সন্ত্রাসীদের অস্ত্র সরবরাহ করে এবং এসব অস্ত্র শেষ পর্যন্ত আমাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হয়। এটা কোন ধরনের কৌশলগত মিত্রের কাজ?’-এরদোগান এভাবে যোগ করে বলেন।

এরদোগান এসময় আরো বলেন, আসন্ন জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ট্রাম্পের সাথে নিউইয়র্কে তিনি কোনো ধরনের বৈঠক করবেন না।

ইদলিব সম্পর্কে তেহরান সামিট খুবই গুরুত্বপূর্ণ
এরদোগান সিরিয়ার ইদলিব শহরে চলমান সংঘাতের বিষয়ে তুরস্ক, রাশিয়া এবং ইরানের মধ্যকার আলোচনা সম্পর্কে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘যদি সেখানে কোনো প্রকার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয় তবে শহরটি কবরে পরিণত হবে।’

‘এধরনের অবস্থায় সেখানকার জনগণ কোথায় যাবে? তার অধিক হারে আমাদের দেশের দিকে ঝুঁকে পড়বে। এবং তাতে করে সমস্যা আরো দীর্ঘায়িত হবে।’ -এরদোগান চলতি মাসের ৭ সেপ্টেম্বরে তেহরানে এ ব্যাপারে বিভিন্ন দেশের নেতাদের একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার খবর জানিয়ে এমনটি বলেন।

‘আমরা তেহরান সামিটে এ ব্যাপারে একটা সমাধান করতে পারবো বলে আশা করছি। যদি আল্লাহ ইচ্ছা করেন, তবে আমি আশা করি তেহরান সামিটের মাধ্যমে সিরিয়াতে কোনো আগ্রাসন চালানো থেকে সকলেই বিরত থাকবে’, ‘আমরা তেহরান সামিটকে খুবই গুরুত্ব দিচ্ছি।’

এরদোগান সিরিয়ার সংঘাতকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘যদি সেখানে কোনো ধ্বংসযজ্ঞ হয় তবে সেখানকার জনগণ পালানোর জন্য প্রথম পছন্দ হিসাবে তুরস্ককে বেছে নিবে। এটা সমস্যাকে আরো গভীর করে তুলবে।’

তুরস্ক এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরা জোরদার করার জন্য এরদোগান সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে জার্মানিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সফর করবেন বলে জানান।

এরদোগান বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখনো তুরস্কের আহ্বানে সাড়া দেয়নি। আমরা এখনো তাদের কাছ থেকে এ ব্যাপারে আশাবাদী কোনো প্রতিক্রিয়া দেখতে পাইনি। তাদের সাথে অভিবাসী এবং ভিসার প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কীয় বিভিন্ন আলোচনার এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। আমরা চাই তারা এসব ব্যাপারে অগ্রগতি দেখাক, যাতে করে আমরা তাদের সাথে আরো দীর্ঘ পথ চলতে পারি।’

এরদোগান জোর দিয়ে বলেন, ফ্রান্সের সাথে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে কিন্তু দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন এখনো পর্যন্ত তুরস্ক সফর করেননি। ইউরোপিয় ইউনিয়নের নেদারল্যান্ড এবং ব্রাসেলসের অবস্থানে কোনো ইতিবাচক দিক নেই, এবং সাথে সাথে অস্ট্রিয়ার অবস্থানও নেতিবাচক।

‘আমরা তুর্কি জাতি হিসাবে ১৯৬৩ সাল থেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে আমাদের মধ্যকার সম্পর্কের ব্যাপারে ইতিবাচক অবস্থান প্রদর্শন করেছি। দুর্ভাগ্যবশত তারা এমন দৃষ্টিভঙ্গি দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন দাবী করে তারা পিকেকে কে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসাবে চিহ্নিত করেছে কিন্তু তাদের অনেক বৈঠকের স্থানে পিকেকের পোস্টার ঝুলানো থাকে।’- এরদোগান আক্ষেপের সাথে এসব কথা বলেন।

সূত্রঃ হুররিয়াত ডেইলি নিউজ।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft