
গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন এমপি হত্যা মামলায় আজ ২৮ আগষ্ট মঙ্গলবার আদালতে আরো দুজন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য প্রদান করেছেন। এ স্বাক্ষীরা হচ্ছেন প্রতিবেশী আব্দুর রাজ্জাক ও জিয়াউর রহমান। গাইবান্ধার জেলা ও দায়রা জজ রাশেদা সুলতানার আদালতে এ স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এ নিয়ে এ মামলায় নিহত এমপি লিটনের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতি ও ফাহমিদা বুলবুল কাকলীসহ মোট ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হলো। মামলায় ৬০ জনকে সাক্ষী হিসেবে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার আদালতে সাক্ষী আব্দুর রাজ্জাক ও জিয়াউর রহমান বলেন, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন তার বাড়ির ড্রয়িং রুমে অবস্থানকালে একদল দুর্বৃত্ত ওই রুমে ঢুকে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এ খবর পেয়ে তারা এমপি লিটনের বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে লিটনকে গুরুতর আহত অবস্থায় তারা দেখতে পান। পরে লিটনকে আশংকাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তিনি মারা যান। তারা জানান, আহত লিটনের সাথে তারাও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন।
পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, ওই ঘটনায় লিটনের ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্তের পর হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।
চার্জশীটে উল্লেখ্য করা হয়, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন জাতীয় পাটি নেতা ওই এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকতা ডাঃ কর্ণেল আব্দুল কাদের খান। ওই চার্জশীটে হত্যাকান্ডে ৮ জনকে আসামি হিসেবে সনাক্ত করা হয়। পুলিশ কাদের খানসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করতে পারলেও অপর আসামি চন্দন কুমার রায়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। সে ভারতে পালিয়ে গেছে। চন্দনকে দেশে ফিরিয়ে আনার সকল প্রকার