মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
১০ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৫ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীতে ইউএনও’র গাড়ির ধাক্কায় শিশু গুরুতর আহত, প্রশ্নের মুখে দায়িত্ব ও মানবিকতা সাদুল্লাপুরে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের স্বপ্ন পূরণ গোবিন্দগঞ্জে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র গাইবান্ধায় সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে গাইবান্ধার সদর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে প্রাণখোলা ঈদ আড্ডা ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান সাংবাদিকতা পেশা কতিপয় ব্যক্তির কারণে বিতর্কিত: তথ্যমন্ত্রী পলাশবাড়ীর ৩ ফিলিং স্টেশনে রেজিস্টার পরিদর্শন, পরিমাপ যাচাই না করায় প্রশ্ন লালমনিরহাট জেলা শহরে বাস-অটো সংঘর্ষে আহত ৮

গাইবান্ধায় এমপি লিটন হত্যা মামলায় আরো ২ জনের সাক্ষ্যগ্রহন করেছেন আদালত

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৮
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন এমপি হত্যা মামলায় আজ ২৮ আগষ্ট মঙ্গলবার আদালতে আরো দুজন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য প্রদান করেছেন। এ স্বাক্ষীরা হচ্ছেন প্রতিবেশী আব্দুর রাজ্জাক ও জিয়াউর রহমান। গাইবান্ধার জেলা ও দায়রা জজ রাশেদা সুলতানার আদালতে এ স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। এ নিয়ে এ মামলায় নিহত এমপি লিটনের স্ত্রী সৈয়দা খুরশিদ জাহান স্মৃতি ও ফাহমিদা বুলবুল কাকলীসহ মোট ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হলো। মামলায় ৬০ জনকে সাক্ষী হিসেবে তালিকাভূক্ত করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার আদালতে সাক্ষী আব্দুর রাজ্জাক ও জিয়াউর রহমান বলেন, ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন তার বাড়ির ড্রয়িং রুমে অবস্থানকালে একদল দুর্বৃত্ত ওই রুমে ঢুকে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এ খবর পেয়ে তারা এমপি লিটনের বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে লিটনকে গুরুতর আহত অবস্থায় তারা দেখতে পান। পরে লিটনকে আশংকাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই রাতেই তিনি মারা যান। তারা জানান, আহত লিটনের সাথে তারাও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন।

পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, ওই ঘটনায় লিটনের ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ দীর্ঘ তদন্তের পর হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করেন।

চার্জশীটে উল্লেখ্য করা হয়, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন জাতীয় পাটি নেতা ওই এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকতা ডাঃ কর্ণেল আব্দুল কাদের খান। ওই চার্জশীটে হত্যাকান্ডে ৮ জনকে আসামি হিসেবে সনাক্ত করা হয়। পুলিশ কাদের খানসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করতে পারলেও অপর আসামি চন্দন কুমার রায়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। সে ভারতে পালিয়ে গেছে। চন্দনকে দেশে ফিরিয়ে আনার সকল প্রকার

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft