
গত ২৯ জুলাই হতে সাড়া দেশব্যাপী ক্ষুদে ছাত্র-ছাত্রীদের “নিরাপদ সড়ক চাই” আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়ন কল্পে গাইবান্ধা পুলিশ সুপার জনাব আবদুল মান্নান মিয়ার উদ্যোগে গোবিন্দগঞ্জ থানাধীন মহাসড়ক সংলগ্ন হেলিপ্যাড এলাকায় গোবিন্দগঞ্জ থানা ও ট্রাফিক পুলিশ যৌথভাবে গত ১২-৮-১৮ খ্রিঃ হতে চালু দেশের দুরপ্রান্ত হতে ছেড়ে আসা উত্তরবঙ্গগামী বাস/ট্রাক চালকদের হাত-মুখ ধৌত করন ও চা পান করানো কর্মসুচী সহ ছাত্র -ছাত্রী, ড্রাইভার-হেলপার ও জনসাধারণের সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ চালু হয়। উক্ত কার্যক্রম সুপারভিশন করার জন্য পুলিশ সুপার মহোদয় গত ১৮-৮-১৮ খ্রিঃ গভীর রাত ৩টায় পলাশবাড়ী হাইওয়েতে রংপুরগামী নাইট কোচের ড্রাইভার-হেলপার ও যাত্রীদের সহিত মতবিনিময় করেন। ঐ সময় তিনি ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কুড়িগ্রামগামী “এস এ আলম” নামের নাইটকোচ পরিদর্শন করে দেখতে পান উক্ত কোচটিতে ঢাকা থেকে দুজন হেভি লাইসেন্সধারী চালক পালাক্রমে গাড়ীটি চালিয়ে আসছে। এবং দুজন চালক হবার কারনে যাত্রীরাও নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করছেন বলে জানান। তখন এস এ আলম পরিবহনের চালকদ্বয় জানান, সাড়াদেশে আন্দোলনের পর হতে তাদের কোম্পানির মালিকের পক্ষ হতে প্রতিটি গাড়ীতে দুজন করে দক্ষচালক নিয়োগ দেয়া হয়েছে এবং কোম্পানির যে সকল গাড়ীর যাবতীয় কাগজপত্র বৈধ আছে সে গাড়ী গুলিই রোডে চলছে বলে জানান। মতবিনিময়ের সময় তথায় উপস্থিত বিভিন্ন পরিবহনের চালক ও যাত্রীদের উদ্দেশ্যে পুলিশ সুপার জনাব প্রকৌশল আবদুল মান্নান বলেন, প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় সাড়াদেশে কারো না কারো ছেলে- মেয়ে – ভাই – বোন- স্বামী- স্ত্রী নতুবা আত্মীয় স্বজন সহ চালক ও হেলপার প্রাণ হারাচ্ছে। যে সকল পরিবার দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে ঐ সব পরিবারের করুন আর্তনাদ অনুভব করার জন্য পরিবহন সেক্টরের বিভিন্ন সংগঠন, মালিক, চালক,হেলপারদের আহবান করেন।তিনি আরো বলেন, “একটি দুর্ঘটনা একটি পরিবারের সাড়া জীবনের কান্না” এই বিষয়টি মনে রেখে ও প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার এবং দেশবাসীর চাওয়া-পাওয়া মাথায় রেখে বৈধ কাগজপত্র সহ সুশৃঙ্খল ভাবে সড়কে গাড়ী চালানোর জন্য অনুরোধ করেন। মতবিনিময়ের সময় পলাশবাড়ী থানার ইন্সপেক্টর মোস্তাফিজুর রহমান ও হাইওয়ে টহল টিম উপস্থিত ছিলেন।