1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
১৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১১ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
মেক্সিকোতে ফুটবল খেলায় সশস্ত্র হামলা: নিহত ১১, গ্রেফতার ৩ ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে আমদানি নীতি আদেশ ২০২৫-২০২৮ অনুমোদন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব গৃহীত গাইবান্ধা সরকারি কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গাইবান্ধায় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে আলোচনা সভা সাদুল্লাপুর মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে কোচিং সিন্ডিকেটের থাবা,শিক্ষার্থীরা কোচিংগুলো কাছে জিম্মি, শিক্ষা কি এখন আর মানুষ গড়ার কারখানা নয়? (পর্ব- ৩) পলাশবাড়ীতে আইএফআইসি ব্যাংকের মতবিনিময় সভা ১০০ কোটি টাকার আমানত মাইলফলকে আস্থার স্বীকৃতি পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জে ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

কেন এই নারীকে সবাই ভয় পান?

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ১৩ আগস্ট, ২০১৮
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

হোয়াইট হাউসে হাতে গোনা কয়েকজন আফ্রো-আমেরিকানকে চাকরি দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাদের মধ্যে বেশ ক্ষমতাবান ছিলেন ওমারোসা মানেগল নিউম্যান। চাকরি থেকে ১২ মাসের মাথায় অব্যাহতি পান এ নারী।

এই সপ্তাহেই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তার হোয়াইট হাউস অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা বই ‘আনহিঞ্জড’। বইটিতে ট্রাম্প ও হোয়াইট হাউসের অনেক গোপন কথা লিখেছেন তিনি, যার রেকর্ডিংও তার কাছে আছে বলে দাবি করেছেন ওমারোসা।

ওমারোসা মানেগল নিউম্যান কী করে হোয়াইট হাউসের গোপন রেকর্ডিংগুলো পেলেন, সে এক রহস্য বটে।
অনলাইন পোর্টাল অ্যাক্সিওসডটকম জানাচ্ছে, এর কারণ খুব সাধারণ—সরকারের একেবারে উচ্চপর্যায়ের কিছু লোক তার ভয়ে ভীত ছিলেন।

ওমারোসা মানেগল নিউম্যান সম্পর্কে তার সাবেক সহকর্মীরা বলছেন:
‘আমি তাকে খুব বেশি ভয় পাই… শারীরিকভাবে তার উপস্থিতি বেশ ভীতিকর।’ তার সাবেক এক সহকর্মী এ কথা বলেন। (তিনি আরও সুনির্দিষ্ট কিছু বলতে চাননি, কেননা তিনি এখনো ওমারেসার ভয়ে ভীত। অন্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারাও একই ধরনের কথা বলেন।)

সাবেক সহকর্মীটি আরও বলেন, ‘আমি তাকে কখনো ‘না’ বলিনি। তিনি যা-ই বলতেন আমি বলতাম, হ্যাঁ, দারুণ! আমি তার ভয়ে ভীত ছিলাম। সব সময় ক্ষতির আশঙ্কা করতাম।’

ওমারোসার সাবেক তিন সহকর্মী একই অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন। আর একজন সাবেক কর্মকর্তা বলেন, ‘এক শ ভাগ সহমত। সবাই তাঁকে ভয় পেত।’

ওমারোসা তার প্রকাশিতব্য বইয়ে ট্রাম্পকে যে বর্ণবাদী, নারীবিদ্বেষী ও মানসিকভাবে অসুস্থ বলেছেন, এর জন্য ট্রাম্প নিজেকে ছাড়া অন্য কাউকে দোষারোপ করতে পারবেন না। মোটা বেতনে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে তিনিই ওমারোসাকে হোয়াইট হাউসে নিয়ে আসেন। দুজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ওমারোসার চরিত্র ঠিক ট্রাম্পের মতোই।

একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘সম্ভবত ট্রাম্প চরিত্রের সবচেয়ে কাছাকাছি ওমারোসা। তিনি মিডিয়াকে ভালো করে চেনেন। তিনি ট্রাম্পের মতোই শারীরিক উপস্থিতির গুরুত্বটা বোঝেন।’

হোয়াইট হাউসের সাবেক চিফ অব স্টাফ রেইন্স প্রিবাস বেশ কয়েকবার ওমারোসাকে ওভাল অফিস থেকে বের করার জোর চেষ্টা করেন।

ওমারোসা কারও কাছে জবাবদিহি করতেন না। একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা গত বছর বলেন, তারা হতবুদ্ধি হয়ে যেতেন, কেননা ওমারোসাই হোয়াইট হাউসের উচ্চপদস্থ একমাত্র আফ্রো-আমেরিকান কর্মকর্তা ছিলেন।

ওমারোসা নিরাপত্তা ও নীতিগত বিষয়ে এক ঝাঁকুনি দেন, যখন কনে সাজে বিয়ের অতিথিদের নিয়ে হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে ফটোশুট করার চেষ্টা করেন।

অন্য সবার মতে, হোয়াইট হাউসে প্রায় ১২ মাসের কর্মজীবনে ওমারোসা খুব সামান্য কাজ করেছেন। কিন্তু প্রায় পুরোটা সময় ট্রাম্পের কক্ষে অবাধ প্রবেশাধিকার ছিল তার। তিনি ওই রেকর্ডিংগুলো পেয়েছেন শুধু এ কারণে যে, তিনি তখন সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft