
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, নিরাপদ সড়কের নামে দেশে কোনো ধরনের অরাজকতা বরদাশত করা হবে না, প্রয়োজনে এর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রবিবার ‘ট্রাফিক সপ্তাহ-২০১৮’-এর উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘কোমলমতি ছাত্ররা যেটা চাচ্ছিল, সেটাকে ডাইভার্ট করে অন্যদিকে অন্য দৃশ্যে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা আমরা দেখলাম। আমাদের পুলিশ আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছে। তার মানে এই যে তারা অরাজকতা করতেই থাকবে, আমরা বসে বসে দৃশ্য দেখব। মোটেই নয়। আমাদেরও ধৈর্যের সীমা রয়েছে। সেটা অতিক্রম করলে আমাদের ব্যবস্থা আমরা অবশ্যই করব।’
এ সময় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার ট্রাফিক আইন পালনে স্কাউট, শিক্ষার্থী, মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নসহ সর্বস্তরের সহযোগিতা চেয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আইন না মানার সংস্কৃতির কারণে সড়কে বেশি দুর্ঘটনা ঘটে। ছেলেমেয়েদের আন্দোলন যৌক্তিক বলেই প্রধানমন্ত্রী তাদের দাবি মেনে নিয়েছেন।
‘ট্রাফিক সপ্তাহ-২০১৮’ ৫ থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে চালানো হবে ট্রাফিক আইন মানার সচেতনতা প্রচার। এ উপলক্ষে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে ট্রাফিকের পক্ষ থেকে সচেতনতামূলক ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানো হয়েছে। প্রচার করা হচ্ছে লিফলেট। গাড়িতে গাড়িতে লাগানো হচ্ছে সচেতনতামূলক স্টিকার।
এদিকে রাস্তায় তেমন যানবাহন না থাকলেও ট্রাফিক সপ্তাহের শুরুতে রাজধানীতে লক্ষ্য করা গেছে ট্রফিক পুলিশের তৎপরতা। রাস্তায় বিভিন্ন ধরনের যান চলাচলের ক্ষেত্রে সহযোগিতার পাশাপাশি গাড়ির সনদ ও চালকদের সনদ দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য জনসাধারণকে সতর্ক করছে ট্রাফিক পুলিশ।
পুলিশপ্রধান ও ডিএমপি কমিশনার বলেন, পরিবহন খাতে অরাজকতা ট্রাফিক সমস্যার প্রধান কারণ। তাই পরিবহন মালিক-শ্রমিক ও শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষের ট্রাফিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।