1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১০ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পীরগঞ্জে কোচিং সিন্ডিকেটের থাবা,শিক্ষার্থীরা কোচিংগুলো কাছে জিম্মি, শিক্ষা কি এখন আর মানুষ গড়ার কারখানা নয়? (পর্ব- ৩) পলাশবাড়ীতে আইএফআইসি ব্যাংকের মতবিনিময় সভা ১০০ কোটি টাকার আমানত মাইলফলকে আস্থার স্বীকৃতি পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী অনুষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জে ভোট গ্রহণকারী কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত ভালো কাজের পরিণাম যখন বদলির আদেশ! গাইবান্ধা জেলা পুলিশ লাইন্স স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জে মহাসড়কে যাত্রবাহী বাস উল্টে আহত ১৫ পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গায় নির্বাচনী পথসভায়-ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধার বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন পরিদর্শন করেন জিআইবিআর ময়নুল ইসলাম গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার

চেক করছে, তাই বাস চলা বন্ধ: মালিক-শ্রমিক সমিতি

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ৩ আগস্ট, ২০১৮
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

বাস চাপায় দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পাঁচদিনের ছাত্র বিক্ষোভের পর আকস্মিকভাবে দেশ জুড়ে বাস চালানো বন্ধ করে দিয়েছেন বাস মালিক ও শ্রমিকরা।

শুক্রবার মহাখালী বাস টার্মিনালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন এনায়েত উল্যাহ। তিনি দাবি করেন, ‘এ পর্যন্ত চার শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। সে জন্যই রাস্তায় যানবাহন নামছে না।’

কোনো ধরণের ঘোষণা ছাড়াই বাস বন্ধ করে দেয়ায় ঢাকায় ব্যাপক দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ। ঢাকার সাথে প্রায় সারাদেশে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। খবর বিবিসির

বাস মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ বলছেন, নিরাপত্তাহীনতার কারণেই বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন মালিক-শ্রমিকরা, তবে তারা কোনো ধর্মঘট ডাকেননি।

তিনি বলেন, ‘বাস বন্ধ আছে নিরাপত্তার অভাবে। মালিক-শ্রমিকরা গাড়ী বন্ধ করে দিয়েছে নিরাপত্তার কারণে। এ পর্যন্ত চারশর মতো বাস ভাংচুর করা হয়েছে। ৭/৮টি গাড়ী সম্পূর্ণ জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে।’

‘সে কারণে নিরাপত্তার জন্যই বন্ধ করা হয়েছে, অন্য কিছু না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবার চালু হবে’ – বলেন তিনি।

কিন্তু বিক্ষোভ তো হচ্ছে মূলত ঢাকায়, তাহলে কেনো সারাদেশের সব ধরনের বাস বন্ধ করে দেয়া হলো?

এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গাড়ী শহরে আসতে বা বের হতে পারছে না। বিভিন্ন জায়গায় চেক করছে, ভাঙছে, এজন্যই বন্ধ আছে।’

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেছেন, ‘দেশে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনকে আমরা সমর্থন করি। কিন্তু সড়কে আমাদের কোনো নিরাপত্তা নেই।’

এনায়েত উল্যাহ আরো বলেন, ‘আমরা যখন নিরাপদ বোধ করব তখন গাড়ি নামাব। তবে এটা আমাদের আনুষ্ঠানিক কোনো কর্মসূচি নয়।’

এনায়েত উল্যাহ বলেন, ‘আমরা আইন মেনে গাড়ি চালাতে চালকদের নির্দেশ দিয়েছি। আইন অনুযায়ী দোষীদের শাস্তি আমরা মেনে নেব। নতুন আইনকে আমরা স্বাগত জানাই।’

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে যৌক্তিক উল্লেখ করে এনায়েত উল্যাহ তাদের ঘরে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।

দুর্ঘটনায় নরহত্যার জন্য বাসচালক ও তাদের সহকারীদের মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন সাজার বিধান রেখে যে সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া করা হয়েছে, তার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার সারাদেশে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন মালিক-শ্রমিকরা। সকাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বাস চলাচল বন্ধের ডাক দেয় পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।

গত ২৯ জুলাই দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুর্মিটোলায় বিমানবন্দর সড়কে বাসের চাপায় দুই কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মিরপুর-উত্তরা রোডের জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস মিরপুর থেকে রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের ওপর দিয়ে আসছিল। এ সময় ফ্লাইওভারের শেষ দিকে, রাস্তার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল একদল শিক্ষার্থী। বাসটি ফ্লাইওভার থেকে নেমেই দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। এ ছাড়া আহত হয় চারজন।

নিহতরা হলো শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মীম ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আবদুল করিম। ওই দুর্ঘটনার পর থেকে নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তাসহ দুর্ঘটনার বিচারের দাবিতে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft