
রাজধানী ঢাকায় বাসের চাপায় দুই শিক্ষার্থী মৃত্যুর প্রতিবাদে রাস্তায় বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন তাদের সব দাবী মেনে নেয়া হয়েছে।
এসময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদেরকে অবরোধ তুলে নিয়ে ক্লাসে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করেছেন। গত রবিবার দুপুরের দিকে একটি বাসের চাপায় দুই স্কুল শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর ব্যাপক বিক্ষোভ হয় ঢাকায়। বুধবার তিনদিনের মত শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছিলেন। খবর বিবিসি’র
শিক্ষার্থীদের দাবী ছিল দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা, ফিটনেস বিহীন গাড়ী চলাচল না করা, লাইসেন্স-বিহীন গাড়ীর অনুমোদন না দেয়া সহ নয়টি দাবী নিয়ে বিক্ষোভ করছে। এর প্রেক্ষাপটে আজ স্বরাষ্ট্র, নৌ এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সচিবালয়ে এক জরুরী বৈঠক করে।
তিনি বলেন, ‘আমরা জোর গলায় বলছি দোষীরা সর্বোচ্চ শাস্তি যাতে পায় যে জন্য সরকার ব্যবস্থা নিবে। আর তারা বিভিন্ন ভাবে আমাদের কাছে যে দাবী গুলো পৌঁছেছে সেগুলো সবই মেনে নিয়েছি, সেগুলো সবই যৌক্তিক। পর্যায়ক্রমে আমরা সবগুলোর ব্যবস্থা নিবো।’
ঢাকায় গতকাল রাস্তায় বেশ কিছু বাস ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। ফলে যাত্রীদের ভোগান্তি ছিল চরম। আজকেও রাস্তায় বাস চলাচল সীমিত রয়েছে বলে সংবাদদাতারা জানাচ্ছেন।
গাড়ি ভাংচুর-অগ্নি সংযোগ সম্পর্কে যা বললেন মন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২৯ তারিখে ১৫০ টি গাড়ী ভাঙ্গা হয়েছে, ৩০ তারিখে ২৫ টি গাড়ি, ৩১ তারিখে ১৩৪টি গাড়ি ভাঙ্গা হয়েছে। গাড়ী পুড়ানো হয়েছে আটটি, এর মধ্যে পুলিশের এবং ফায়ার সার্ভিসের গাড়ী রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘এই যে কোমলমতী ছাত্ররা অবরোধ করছে এই সুযোগে স্বার্থন্বেষী মহল এই ভাংচুর এবং গাড়ী পুড়ানোর কাজ গুলো করছে।’
‘কোন-ক্রমেই ফিটনেস-বিহীন, লাইসেন্স-বিহীন এবং রুট-পারমিট বিহীন কোন গাড়ী আমরা আমাদের শহরে চলতে দেব না’ বলে আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
এসময় নৌপরিবহনমন্ত্রী শাহজাহান খান এবং তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু উপস্থিত ছিলেন।