1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১০ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধা জেলা পুলিশ লাইন্স স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গোবিন্দগঞ্জে মহাসড়কে যাত্রবাহী বাস উল্টে আহত ১৫ পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গায় নির্বাচনী পথসভায়-ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধার বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন পরিদর্শন করেন জিআইবিআর ময়নুল ইসলাম গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার গাইবান্ধা জেলা ফেডারেশন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দুবাই বিশ্বের প্রথম ‘গোল্ড স্ট্রিট’ তৈরি করতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট পেল বাংলাদেশ দল বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র সরকার : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

শিক্ষককে টাক বলায় ঢাবির ৭ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ৩১ জুলাই, ২০১৮
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে টাক বলাসহ অশোভন মন্তব্য করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগের সাত শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সোমবার সকালে বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক নোটিসে এ বহিষ্কারের কথা জানা যায়। গত ১০ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বহিষ্কৃতরা হলো ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের খাইরুন নিসা ও উম্মে হাবিবা তানজিলা, ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের মিনহাজুল আবেদিন, ফাতিমা ও সামিরা মাহজাবিন, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আব্দুল্লাহ-হীল-বাকী ও অদিতি সরকার। এরমধ্যে খাইরুন নিসা ও মিনহাজুল আবেদীনকে এক বছর ও বাকিদের ছয় মাসের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বরে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার সময় পরীক্ষার হলে অধ্যাপক ড. একেএম রেজাউল করিম কয়েকজন শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেন। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেন।

অন্য শিক্ষার্থীরাও সেখানে নিজেদের ক্ষোভের কথা প্রকাশ করে মন্তব্য করে। একজন শিক্ষার্থী ওই শিক্ষককে টাক বলেও মন্তব্য করে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় বিভাগের একাডেমিক কমিটি তদন্ত করে দেখে।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুসারে গত ১০ জুলাই সিন্ডিকেটের সভায় ওই শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন মেয়াদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু এ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ করে ২০ দিন পর বিভাগের নোটিস বোর্ডে শিক্ষার্থীদের নামসহ বহিষ্কারের কথা জানানো হয়।

মনোবিজ্ঞান বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ড. মাহফুজা খানম সাংবাদিকদের বলেন, এটা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রক্টরিয়াল বডির সিদ্ধান্ত। এ বিষয়ে আমার কোনও মন্তব্য নেই।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, বহিষ্কার করা হয়েছে গত ১০ জুলাই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একজন শিক্ষককে নিয়ে অশোভন মন্তব্য করার অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট তাদের বিভিন্ন মেয়াদের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft