
ভারত এক পা এগোলে তিনি দুই পা এগোতে রাজি, বেশি দিন আগের কথা নয়, মাত্র দিন দুয়েক আগের পাকিস্থানের ভাবি প্রধানমন্ত্রীর সেই মন্তব্যের ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই ইসলামাবাদকে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দিলো নয়াদিল্লিও।
ইমরান খান বিজয় হওয়ার পর তার সূচণা বক্তব্যের কথাগুলোর মাঝে অন্যতম বার্তা ছিল, ভারত পাকিস্থান বৈরী সম্পর্ক নিয়ে। তিনি উল্লেখ করেন, দু’দেশের মধ্যে সব থেকে বড় সমস্যা কাশ্মীর ইস্যু। সেই সমস্যা মেটানোর লক্ষ্যে আর এই বার্তা এলো স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে।
সোমবার (৩০ জুলাই) মোদি ফোন করে শুভেচ্ছা জানান ইমরান খানকে। পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে তেহরিক-এ-ইনসাফ (পিটিআই) জয়ের খবর আসার পরই প্রধানমন্ত্রী মোদি ইমরানকে ফোন করেন বলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রের বরাত দিয়ে আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে।
এদিন মোদি ও ইমরানের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ কথাও হয়। দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে দুই দেশের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং সম্পর্কের উন্নতির বিষয় নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কথাবার্তা হয়। ইমরানের আমলে দুই দেশের সম্পর্কে আরও মজবুত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মোদি।
এদিকে, সোমবারই পিটিআইয়ের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে আগামী ১১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন ইমরান খান। তবে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ২৭২টি আসনের মধ্যে শেষ পর্যন্ত ১১৬টি আসনে জয়ী হয়েই থেমে যেতে হয় ইমরান খানকে৷ যদিও ১৩৭টি থেকে বেশ কিছুটা আসন কম পেলেও ইমরানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যপার মাত্র।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা