1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
১৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১০ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীর ঢোলভাঙ্গায় নির্বাচনী পথসভায়-ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক গাইবান্ধার বোনারপাড়া রেলওয়ে জংশন পরিদর্শন করেন জিআইবিআর ময়নুল ইসলাম গোবিন্দগঞ্জে ৫ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার গাইবান্ধা জেলা ফেডারেশন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দুবাই বিশ্বের প্রথম ‘গোল্ড স্ট্রিট’ তৈরি করতে যাচ্ছে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট পেল বাংলাদেশ দল বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুই এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেবে না যুক্তরাষ্ট্র সরকার : মার্কিন রাষ্ট্রদূত পীরগঞ্জে শিক্ষাব্যবস্থায় জ্ঞানের আলো নিভে যাওয়ার নীরব সংকট তারাগঞ্জে সেনাবাহিনী–হাইওয়ে পুলিশের যৌথ অভিযান: রেজিস্ট্রেশন ও কাগজপত্রবিহীন যানবাহনে জরিমানা

ইমরান খানের ‘প্রধানমন্ত্রী’ নির্বাচন ঠেকাতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র!

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৪ জুলাই, ২০১৮
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইমরান ‘প্রধানমন্ত্রী’ হলে কী করবে যুক্তরাষ্ট্র! পাকিস্তানের আগামীকালের নির্বাচনে পিটিআইয়ের নেতা ইমরান খানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু আফগানিস্তানে মার্কিন ভূমিকার বিরুদ্ধে তার অবস্থান, ট্রাম্পকে ফেলতে পারে জটিলতায়। ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় মার্কিন কূটনীতিক ও রাজনীতি বিশ্লেষকরা প্রায়ই ইমরান খানের একটি কথা মনে করিয়ে দেন।

ইমরান খান একবার বলেছিলেন, তিনি নির্বাচিত হলে পাকিস্তানের অভ্যন্তরে হামলা করতে আসা প্রতিটি মার্কিন ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করবেন। তার এমন কথায় পাকিস্তানের শক্তিশালী সেনাবাহিনীর মধ্যেও ভয় ঢুকেছিল। জেনারেলরা ভাবছিলেন, ইমরান নির্বাচিত হলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে টানাপড়েন আরো জটিল পরিস্থিতিতে গড়াবে।

সময় গড়াতে ইমরানও নিজের বক্তব্যে রাশ টেনেছেন। পরবর্তীতে পস্তাতে হবে না, এমন কথা বলার চেষ্টা করলেও মাঝেমধ্যেই মুখ ফসকে বেফাঁস কথাও বলে ফেলেছেন।

ডয়চে ভেলের সংবাদে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে ইমরান খানের বড় পরিচিত একজন সমাজকর্মী হিসেবে। নিজের দেশে তিনি একটি বিশ্বমানের হাসপাতাল পরিচালনা করেন। একজন ক্যারিশম্যাটিক চেহারার অসাধারণ সাবেক খেলোয়াড় হিসেবেও পশ্চিমা নারীদের মধ্যে তিনি বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু এখনো ইমরান একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে ওয়াশিংটনে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেননি।

মার্কিন কর্তৃপক্ষের কাছে ডয়চে ভেলে জানতে চেয়েছিল, ইমরান প্রধানমন্ত্রী হলে তারা তার সঙ্গে কাজ করতে চান কিনা। সরাসরি উত্তর না দিলেও, কূটনৈতিক জবাবেই মিলেছে আভাস।

‘মার্কিন সরকার পাকিস্তানে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের পক্ষে৷ সে দেশের নাগরিকেরা যাকে নির্বাচিত করবেন, আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নতির লক্ষ্যে একই ধরনের এজেন্ডা নিয়ে তার সাথেই কাজ করতে আমরা প্রস্তুত,’ বলছেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র।

এই বক্তব্যই তেহরিক-ই-ইনসাফ বা পিটিআই দলের প্রধান ইমরান খান সম্পর্কে মার্কিন সরকারের মনোভাব স্পষ্ট করে। ভুট্টো বা নওয়াজ শরিফের সাথে কোন পরিস্থিতিতে কিভাবে কাজ করতে হয়, তা জানা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। কিন্তু ইমরান খানের ক্ষেত্রে তা নয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আফগানিস্তান ও ভারতে জঙ্গি কার্যক্রম ঠেকাতে ইমরানকে ওয়াশিংটনের সঙ্গেই কাজ করতে হবে।

উড্রো উইলসন সেন্টার ফর স্কলারসের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক বিশেষজ্ঞ মাইকেল কুগেলমান বলছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইমরানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার চিন্তাটা খুব একটা সুখের নয়৷ কারণ, তিনি এবং তার দল বরাবরই অ্যান্টি-অ্যামেরিকার ভূমিকা নিয়ে এসেছেন, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ঠিক উলটো।’

কুগেলমান মনে করেন, ‘একই সাথে পাকিস্তানের রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রে সেনাবাহিনীর বিশাল একটি ভূমিকা থাকে৷ ফলে, যদি সম্ভাব্য পিটিআইর সরকারও সুর নরম করতে বাধ্য হয়, তাতেও আমি আশ্চর্য হবো না।’

এই মাসের শুরুর দিকে আফিগানিস্তানে সাময়িক যুদ্ধবিরতির জন্য পাকিস্তানের সমর্থন প্রয়োজন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। কিন্তু সে সময় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী বা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ না করে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সরাসরি দেশটির সেনাপ্রধান কামার জাভেদ বাজওয়াকে ফোন দেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও।

জেনারেল বাজওয়া শুধু মার্কিন অনুরোধই রাখেননি, কাবুলে গিয়ে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনির সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী শান্তিপ্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনাও করে এসেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানের সাবেক রাষ্ট্রদূত হোসেইন হাক্কানি বলছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র অন্য পাকিস্তানি নেতাদের যেভাবে সামলেছে, ইমরান খানও তার ব্যতিক্রম হবেন না।’

‘জুলফিকার আলী ভুট্টোও নির্বাচনের আগে মার্কিনবিরোধী ভূমিকা নিয়েছিলেন। কিন্তু তিনিও নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব নেয়ার আগে রিচার্ড নিক্সনের সাথে দেখা করে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করতে গিয়েছেন।’ তবে পাকিস্তানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে বলে মনে করেন হাক্কানি।

ফলে নির্বাচিত হলেও রাজনীতির পিচে ইমরান খানের ইনিংস কত দীর্ঘ হয়, তা অনেকাংশেই নির্ভর করছে দেশের ভেতরে-বাইরের অন্য ‘খেলোয়াড়দের’ সমর্থনের ওপর।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft