1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:৩০ অপরাহ্ন
১৩ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
অন্ধকার কাটছে আলোয়, নিরাপত্তা বাড়ছে প্রযুক্তিতে। পলাশবাড়ী পৌরসভায় সড়ক বাতি ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন কার্যক্রম জোরদার ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় কোচিং মাফিয়াদের উপদ্রবে শিক্ষাব্যবস্থা আজ গভীর এক নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটে দাঁড়িয়ে। গোবিন্দগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের নির্বাচনী কর্মীসভা অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা : ৬ জন গ্রেফতার পলাশবাড়ী দুবলাগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় ঘুমন্ত হেলপার নিহত, চালক পলাতক তারাগঞ্জের কুর্শায় বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকারের গণসংযোগ অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচিত হলে জামায়াত কোনো প্রতিশোধ নেবে না : ডা. শফিকুর রহমান ভারতে পলাতক হাসিনাকে প্রকাশ্যে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ

দিল্লিতে ১১ জনের গণ আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে ‘মোক্ষ’ লাভ!

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ২ জুলাই, ২০১৮
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

ভারতের দিল্লিতে একই পরিবারের ১১ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে রহস্য বাড়ছে। মৃত্যুর তদন্ত করতে গিয়ে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এসব নথিতে ধর্মীয় বিশ্বাসের কথা লেখা রয়েছে। কোথাও লেখা, ‘একই গোষ্ঠীর ১১ জন যদি একই ধর্মীয় মত মেনে চলে, তবে মোক্ষ লাভ করা সম্ভব।’

কোনো কাগজে আবার লেখা, ‘চোখ এবং মুখ কাপড়ে ঢেকে ফেললে, মনের ভয় অনেকটাই কেটে যায়।’

রবিবার দিল্লির বুরারি এলাকার সন্ত নগরের দোতলা বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ভাটিয়া পরিবারের ১১ জনের প্রাণহীন দেহ। তারা হলেন বছর সাতাত্তরের গৃহকর্ত্রী নারায়ণ দেবী। দুই ছেলে ভবনেশ (৫০) ও ললিত (৪৫), দুই পুত্রবধূ সবিতা (৪৮) ও টিনা (৪২) এবং পাঁচ নাতি-নাতনি—প্রিয়ঙ্কা (৩৩), নীতু (২৫), মোনু (২৩), ধ্রুব (১৫) এবং শিবম (১৫)।

তাদের মধ্যে ১০ জনের দেহ পাওয়া যায় একই ঘর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায়। অন্য ঘরে পড়ে ছিল নারায়ণ দেবীর দেহ। তিনি শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা গিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

প্রাথমিকভাবে পুলিশের মনে হয়েছিল, তারা প্রত্যেকে হয়ত আত্মঘাতী হয়েছেন। কিন্তু লেখা নথি উদ্ধারের পর, পুলিশের একাংশের ধারণা, পরিবারের অন্যান্যদের মেরে শেষ ব্যক্তি আত্মঘাতী হয়েছেন। কিন্তু তিনি কে? তবে কি পরিবারের সকলেই অতিপ্রাকৃতে বিশ্বাস করতেন? উদ্ধার হওয়া একটি কাগজে লেখা রয়েছে, ‘শরীর সাময়িক, কিন্তু আত্মা অবিনশ্বর।’

সমস্ত লেখায়, ‘মোক্ষ লাভ হলে চিরশান্তি লাভ করা সম্ভব’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর এখানেই রহস্যের গন্ধ পাচ্ছে পুলিশ।

দিল্লি পুলিশের জয়েন্ট কমিশনার (অপরাধ) অলোক কুমার বলেছেন, ‘পরিবারের ১১ সদস্যের অস্বাভাবিক মৃত্যুর কারণ বোঝার জন্য উদ্ধার হওয়া নথিগুলো পরীক্ষা করা হচ্ছে। সঙ্গে দেখা হবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট।’

অন্য এক পুলিশকর্তার বক্তব্য, ‘ধর্মীয় কারণে গণ আত্মহত্যার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রত্যেকের হাত ও পা বাঁধা হয়েছিল একই ভাবে। পরিবারে ছোটদের হয় খুন করা হয়েছিল, না হলে তাদের আত্মহত্যায় উত্‌সাহ দেওয়া হয়েছিল।’

বয়সের কারণে নারায়ণ দেবী টুলে উঠে গলায় দড়ি দিতে পারবেন না বুঝে, তাকে গলা টিপে মারা হয়েছিল। এমন সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ।

যদিও পাড়া প্রতিবেশীদের দাবি, ভাটিয়া পরিবারের সদস্যদের সকালে ‘গায়েত্রী মন্ত্র’ জপ করতে দেখা গিয়েছে। দিনে দু’বার তারা পুজো করতেন। কিন্তু তারা যে অতিপ্রাকৃতে বিশ্বাস করেন, তার কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বাড়িতে কোনও তান্ত্রিককে আসতেও তারা দেখেনি।

আত্মীয় পরিজনেরা বলছেন, এটা খুন। বাইরের অন্য কেউ পরিবারে সমস্ত সদস্যকে খুন করেছে। এই ঘটনার পিছনে কোনো গডম্যানের হাত রয়েছে কিনা, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সূত্র: আনন্দবাজার

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft