1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
১৩ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৮ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
অন্ধকার কাটছে আলোয়, নিরাপত্তা বাড়ছে প্রযুক্তিতে। পলাশবাড়ী পৌরসভায় সড়ক বাতি ও সিসি ক্যামেরা স্থাপন কার্যক্রম জোরদার ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় কোচিং মাফিয়াদের উপদ্রবে শিক্ষাব্যবস্থা আজ গভীর এক নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটে দাঁড়িয়ে। গোবিন্দগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের নির্বাচনী কর্মীসভা অনুষ্ঠিত গোবিন্দগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা : ৬ জন গ্রেফতার পলাশবাড়ী দুবলাগাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশু বরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় ঘুমন্ত হেলপার নিহত, চালক পলাতক তারাগঞ্জের কুর্শায় বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকারের গণসংযোগ অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার নির্বাচিত হলে জামায়াত কোনো প্রতিশোধ নেবে না : ডা. শফিকুর রহমান ভারতে পলাতক হাসিনাকে প্রকাশ্যে বক্তব্যের সুযোগ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ

সু চি-সেনাপ্রধান দ্বন্দ্ব নিরসনে মধ্যস্থতায় জাতিসংঘ!

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ২৯ জুন, ২০১৮
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি ও দেশটির সেনাপ্রধান মিন অং হ্লায়াং-এর মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনে জাতিসংঘ মধ্যস্থতা করছে বলে আভাস পাওয়া গেছে। সম্প্রতি, থাই সংবাদমাধ্যম ব্যাংকক পোস্টে প্রকাশিত এক নিবন্ধে এমন আভাস দিয়েছেন সাবেক বিবিসি সাংবাদিক ল্যারি জ্যাগান। তিনি দাবি করেছেন, সম্প্রতি জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শ্রেনার বার্গেনার তার মায়ানমার সফরে অনিচ্ছাকৃতভাবেই সু চি ও হ্লায়াং-এর মধ্যে ‘দ্বন্দ্ব নিরসনে’ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছেন।

গত ২৩ জুন ব্যাংকক পোস্টে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির সাবেক বার্তা সম্পাদক ল্যারি জ্যাগানের একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, রাখাইন পরিস্থিতি সামলানো এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের ভূমিকা প্রশ্নে ৮ জুন অনুষ্ঠিত একটি উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকে অং সান সু চি ও মায়ানমারের সেনাপ্রধানের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়। কয়েকটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারকে অভ্যুত্থানের হুমকি দিয়েছেন মিন অং হ্লায়াং। দাবি করা হয়, রাখাইনে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগের তদন্ত এবং রোহিঙ্গা মুসলিমদের ফিরিয়ে আনার ইস্যুতে সুচি এবং সেনাবাহিনীর সম্পর্ক বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে। সংকট নিরসনে জাতিসংঘকে সংশ্লিষ্ট করার যে উদ্যোগ সু চি নিয়েছেন, সেনাবাহিনী তা ভালোভাবে দেখছে না। বিশেষ করে তদন্ত কমিটিতে একজন বিদেশি বিশেষজ্ঞ রাখার বিষয় নিয়ে তীব্র আপত্তি করছে সেনাবাহিনী। নিবন্ধে সেনাপ্রধানের ঘনিষ্ঠ একজন সাবেক সিনিয়র সেনা কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে জ্যাগান বলেছেন, এটা (তদন্তে বিদেশিকে রাখা) সেনাবাহিনী কোনওভাবেই গ্রহণ করবে না। এই রেড-লাইন অতিক্রম করা যাবে না।

ওই একই নিবন্ধে আভাস দেওয়া হয়েছে যে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শ্রেনার বার্গেনার মায়ানমার সফরে আসার পর দুই নেতার মধ্যে দ্বন্দ্ব নিরসনে ভূমিকা রাখছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘জাতিসংঘের একজন দূত অনিচ্ছাকৃতভাবেই মায়ানমারের শীর্ষ বেসামরিক নেতা ও রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি এবং সেনাপ্রধান মিন অং হ্লায়াং-এর মধ্যে শান্তি স্থাপনে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছেন। রাখাইন পরিস্থিতি সামলানো এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাতিসংঘের ভূমিকা প্রশ্নে দুই সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বৈঠকে বাক-বিতণ্ডা হওয়ার পর থেকে দুই নেতার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছিলো। এ উত্তেজনাপূর্ণ সময়গুলোতে মায়ানমারে জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত ও সুইস কূটনীতিক ক্রিস্টিন শ্রেনার বার্গেনার মায়ানমারে সফর শুরু করেন। মায়ানমারে দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ার পর দেশটিতে এটাই তার প্রথম সফর। তার প্রথম সরকারি সফর শেষ হয় বৃহস্পতিবার (২১ জুন)। তিনি মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা ও সেনাপ্রধানসহ বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করেন।

সফরের সময় বেশ কয়েকটি বড় ধরনের ও খোলামেলা আলোচনায় অংশ নেন ক্রিস্টিন। এ আলোচনা দুই নেতার মধ্যে উত্তেজনা কমাতে সহায়তা করেছিল। জাতিসংঘ ও মায়ানমারের মধ্যে আরও বেশি গঠনমূলক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তিনিই স্থাপন করেছেন।’

নিবন্ধে আরও উল্লেখ করা হয়, সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যে অভিযোগ উঠেছে তা নিয়ে জাতীয় পরিষদ থেকে তদন্ত হবে বলে সরকারের ঘোষণার পর পরই ওই নিরাপত্তা বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। বৈঠকটি হয়েছিল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, পুনর্বাসন এবং রাখাইন রাজ্যের উন্নয়ন প্রশ্নে মায়ানমার সরকারের সঙ্গে জাতিসংঘের সমঝোতা চুক্তির দুইদিন পর।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft