1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
১২ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৭ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
রংপুরের তারাগঞ্জ থানার জোড়া খুন মামলার আসামি ঢাকায় গ্রেফতার এবার ট্রাম্পের ন্যাটো আফগানিস্তান মন্তব্যের সমালোচনায় মেলোনি এক টেবিলে দুই প্রার্থী, ভোটারদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ মতবিনিময় সুন্দরগঞ্জে বিএনপি–জাপা প্রার্থীর ব্যতিক্রমী নির্বাচনী দৃশ্য সাদুল্লাপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার একনেক সভায় ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন গাইবান্ধা-৩ আসনে নির্বাচনী উত্তাপ, পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিশাল গণমিছিল হাতীবান্ধায় বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের ঘটনাস্থল পরিদর্শন, থমথমে পরিস্থিতি মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে উড়িয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ ‘হ্যাঁ’র পক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচার চালাতে আইনগত বাধা নেই : অধ্যাপক আলী রীয়াজ রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে জনমত: পীরগঞ্জ জাবরহাটে গণভোট ২০২৬ নিয়ে আলোচনা

মৃত্যুর ৮০ বছর পর কেন আতাতুর্কের ঐতিহ্য নিয়ে বিতর্ক হচ্ছে?

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ১২ জুন, ২০১৮
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

গত কয়েক দশক ধরে তার ছবি তুরস্কের ভূখণ্ডের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছে, তার বরফ-নীল চোখগুলো প্রতিটি স্কুল, হাসপাতাল ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের দেয়াল সবার নজর করেছে।

এমনকি তার সামরিক জয়ের প্রতিটি গৌরবময় ব্রোঞ্জের স্তম্ভগুলোতে প্রতিবেশী এলাকার ঘুমন্ত মানুষেরাও মানুষটির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতো।

মুস্তফা কামাল আতাতুর্ক, যিনি তুরস্ককে ইসলামি রাষ্ট্র থেকে একটি আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হিসেবে স্থানান্তরিত করেছিলেন। কিন্তু আতাতুর্কের মৃত্যুর প্রায় ৮০ বছর পর তার ঐতিহ্য পুনরায় জ্বলে ওঠেছে; যা মুসলিম বিশ্বের মডেল গণতন্ত্রে ধর্মের ভূমিকা নিয়ে বিস্তৃত কলহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১৯২৩ সালে অটোমান সাম্রাজ্যের ধ্বংসাবশেষের ওপর তুর্কি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে তার অর্জনকে অনেক তুর্কি সম্মানের চোখে দেখেন। তিনি হতাশাজনক সময়ে তুর্কিদের মনে আশা জাগিয়ে ছিলেন।

তুর্কি জাতিগোষ্ঠীর সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল সেনর ইরুগুয়ের তাকে ‘তুর্কি জাতির সাহসী পুরুষ’ বলে অভিহিত করেছেন।

সংস্কারবাদী জেনারেল
সাবেক সামরিক জেনারেল আতাতুর্ক দারদানেলিসে মিত্রদের আক্রমন প্রতিহত করেন এবং পরবর্তীতে গ্রীক, ফরাসি এবং ইতালীয় সৈন্যবাহিনীকে প্রতিরোধ করার পর তিনি তার সামরিক চিহ্ন পরিত্যাগ করেন।

অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর, তিনি তুর্কি স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন। ইউরোপীয় শক্তিগুলি চেয়েছিল সাম্রাজ্যে আক্রমণ করার মাধ্যম এটি নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয়ার কিন্তু তিনি তাদের সে আশাকে পরাজিত করেছিলেন।

ইসলামের পরিবর্তে আতাতুর্ক তার নতুন রাষ্ট্রে জাতীয়তাবাদ এবং প্রাচীন তুর্কি ঐতিহ্যকে তুলে ধরেন।

তার প্রজাতন্ত্র অতীত অটোমান থেকে একটি স্পষ্ট বিভাজক তৈরি করা হয়। খিলাফতের পরিবর্তে ধর্মনিরপেক্ষতাকে প্রতিস্থাপিত করা হয় এবং সাম্রাজ্যকে আরব অঞ্চলের ঐতিহ্য থেকে ইউরোপীয় ধাঁচে পরিবর্তন করা হয়।

তার সংস্কারগুলি ‘কেমালিজম’ নামে পরিচিত। তিনি তার বিভিন্ন সংস্কারের মাধ্যমে পরবর্তী আট দশক ধরে তুর্কি জীবনের কার্যত প্রতি দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনেন।

তিনি নারীদের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করেন, ইউরোপীয়-স্টাইলের ক্যাপের প্রচলন করতে অটোমান টুপিকে নিষিদ্ধ করেন, মসজিদে আযানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন এবং সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা প্রতিষ্ঠা করেন।

বিরোধী ‘ইনিকাগ’ পত্রিকার একজন সাংবাদিক আরসালান বুলাত আল জাজিরাকে বলেন, ‘তার মৃত্যুর প্রায় ৮০ বছর পর, তিনি আধুনিক তুরস্কের ‘পোস্টার বয়’ হিসেব রয়ে গেছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘অনেক তুর্কিদের জন্য আতাতুর্ক এবং তার আদর্শ প্রজাতন্ত্রের হৃত্স্পন্দন। সিএইচপি (রিপাবলিকান পিপলস পার্টি) বার বার তাদের প্রচারাভিযানে তার নাম ও উত্তরাধিকারের বিষয়টি উল্লেখ করেছে কারণ দলটি মনে করে যে তার (আতাতুর্ক) উত্তরাধিকার আজ ধ্বংসের পথে রয়েছে।’

একে পার্টি বনাম আতাতুর্ক
২০০২ সালের আগ পর্যন্ত আতাতুর্কের সংস্কার নিয়ে কোনো বির্তক ছিল না। ওই বছর ধর্মীয় রক্ষণশীল একে পার্টি ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলে, আতাতুর্কের ঐতিহ্য রাজনৈতিক সার্কেলে প্রচণ্ডভাবে ধাক্কা খায়।

অনেকের কাছে আতাতুর্কের সংস্কার সমস্যাযুক্ত ছিল। ১৬ বছর আগে ক্ষমতায় আসার পর প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান ও তার দল একে পার্টি আতাতুর্কের ধর্মনিরপেক্ষ ইতিহাসের পরিবর্তে তুরস্কের অটোমান ও ইসলামি ঐতিহ্যকে জোরদার করার চেষ্টা করেছেন।

তিনি বামপন্থী এবং ধর্মনিরপেক্ষবাদী সিএইচপি’র সমালোচনা করে বলেছেন, তিনি আতাতুর্কের ধর্মনিরপেক্ষবাদী ঐতিহ্যকে ‘ফ্যাসিস্ট’ গোষ্ঠীর দ্বারা প্রতিষ্ঠা হতে দেবেন না।

আতাতুর্কের ৭২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এর্দোগান বলেছিলেন, ‘আমাদের জাতির মুস্তাফার প্রতি আনুগত্য রয়েছে। আমরা খুব ভালভাবে জানি যে, আতাতুর্ক (জাতির পিতা) পদবির সঙ্গে আমাদের জাতির কোনও সমস্যা নেই, যেটি তিনি নিজেই তাকে এই উপাধি দিয়েছেন। তাহলে কেন এ সম্পর্কে বিতর্ক হচ্ছে?’

তিনি বলেন, ‘উত্তর হচ্ছে- যারা অভ্যুত্থান, জান্তা, অভিভাবকত্বাধীন অবস্থার পক্ষে এবং যারা এই জাতির মূল্যবোধের প্রতি শত্রুপরায়ন, তারা আতাতুর্কিজমের আড়ালে নিজেদের লুকানোর চেষ্টা করছে।’ (সংক্ষেপিত)

 

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft