
পলাশবাড়ীর তৃনমুল মহিলা আওয়ামীলীগ কর্মী চন্দনা রানীকে নির্যাতন ও শ্লীলতাহানির করার দায়ে উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি শ্যামলী আক্তারকে গ্রেফতার ও শাস্তির দাবীতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা সদরে আজ রবিবার রাত ১০ ঘটিকায় উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশ গ্রহনে একটি বিক্ষোভ মিছিল সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রর্দক্ষিণ করে চৌমাথা মোড়ে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব একে এম মোকসেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদ ও গাইবান্ধা জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়ন ৪৯৪ এর সাধারণ সম্পাদক গোলাম সরোয়ার প্রধান বিপ্লব,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদ ও জেলা পরিষদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহদীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম মন্ডল, ফিরোজ কবির সুমন,যুব – ক্রীড়া সম্পাদক ও পূজা উৎযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু নির্মল মিত্র,সদস্য ও হোসেনপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তৌহিদুল আমিন মন্ডল টিটু,বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট সদস্য সচিব আশরাফুল ইসলাম তিতাস,তাতীলীগ সভাপতি আকতারুজ্জামান টিটু, সাধারণ সম্পাদক সাকলাইন মাহমুদ সজিব, মৎস্যজীবীলীগ সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান প্রমুখ।
সমাবেশে বক্তারা, আজ শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে চন্দনা রানীকে নির্যাতনের ঘটনার তদন্ত পূর্বক অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।এসময় দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য,আজ রবিবার দুপুরে উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ সভাপতি শ্যামলী আক্তার ও তৃনমুল মহিলা আওয়ামীলীগ কর্মী চন্দনা রানীর মধ্যে চুল ও বস্ত্র টানাহেচড়া ও মারামারি হয়। এ ঘটনায় চন্দনা রানী ও শ্যামলী বেগম হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহন করেন। বর্তমানে শ্যামলী বেগম ও চন্দনা রানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগামীকাল সোমবার সকাল ১০ ঘটিকায় চৌমাথা মোড়ে শ্যামলী আক্তারের পক্ষে মানববন্ধনের ডাক দিয়েছে উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ।