1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
১১ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে উড়িয়ে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ ‘হ্যাঁ’র পক্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রচার চালাতে আইনগত বাধা নেই : অধ্যাপক আলী রীয়াজ রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে জনমত: পীরগঞ্জ জাবরহাটে গণভোট ২০২৬ নিয়ে আলোচনা পীরগঞ্জের ৩ নং খনগাঁও ইউনিয়নের শান্তিনগরে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা যখন ‘বিনোদন’;অনিয়ম-দুর্নীতির ছায়ায় ভবিষ্যৎ প্রজন্ম! ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান এটিএম আজহারুল ইসলামের সাদুল্লাপুরে নির্বাচনী সভায় ডাঃ সাদিকের অঙ্গীকার: উন্নয়ন ও নাগরিক সেবাই হবে অগ্রাধিকার কোকোর কবর জিয়ারত করেছেন তারেক রহমান বগুড়ায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও সিটি কর্পোরেশনের ঘোষণা জামায়াত আমিরের দ্রুত পোস্টাল ভোট দেওয়ার আহ্বান নির্বাচন কমিশনের পাটগ্রাম সীমান্তে বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

জার্মানি ছেড়ে নিজ দেশে ফিরে যাচ্ছেন যে সিরিয়ানরা

  • আপডেট হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৯ মে, ২০১৮
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

দু’বছর আগে যে লক্ষ লক্ষ অভিবাসী যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে পালিয়ে জার্মানি সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়েছিল – তাদের মধ্যে অনেকেই এখন আবার সিরিয়ায় ফিরে যাচ্ছে।

তারা বলছে, জার্মানিতে অনেক দিন থাকলেও সেখানকার সমাজের সাথে তারা মিশতে পারছে না।

তাই একাধিক দেশের ভেতর দিয়ে শত শত মাইল পাড়ি দিয়ে যে পথে তারা ইউরোপে এসেছিল – ঠিক সেইসব বিপজ্জনক এবং অবৈধ চোরাই পথগুলো দিয়েই তারা আবার তুরস্ক হয়ে সিরিয়ায় ফিরে যাচ্ছে।

এদেরই একজনের নাম জাকারিয়া। তিনি এবং তার দলের কয়েকজনকে অনুসরণ করে বিবিসির সংবাদদাতারা দেখেছেন কিভাবে তারা গ্রিস সীমান্ত দিয়ে তুরস্কে ঢুকছেন।

গ্রিসের পুলিশ অনেক সময়ই অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দেবার চেষ্টাকারীদের আটক করে। গ্রিস-তুরস্ক সীমান্তে এরকম ১০-১২ জন সিরিয়ান নাগরিকের সাথে ধস্তাধস্তি এবং গ্রেপ্তারের দৃশ্যও দেখেছেন তারা।

এই দৃশ্য দেখলে অনেকে বিস্মিত হবেন। কারণ তারা গ্রিসে ঢোকার চেষ্টা করছে না, যেমনটা দুবছর আগে হাজার হাজার লোক করেছিলো। বরং উল্টোটা হচ্ছে এখানে, এরা আসলে ইউরোপ ছেড়ে আবার সিরিয়ায় ফিরে যাবার চেষ্টা করছে।

তারা ইউরোপ ত্যাগের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে এবং সে জন্য যে অবৈধ পথে তারা এসেছিল -সেই অবৈধ পথেই আবার তুরস্ক হয়ে সিরিয়া ফিরে যেতে চাইছে।

বিবিসির সংবাদদাতার কাছে জাকারিয়া বলছিলেন, এর কারণ কি।

জার্মানির ব্যাডেন উর্টেমবার্গে ছিলেন জাকারিয়া। সেখান থেকেই তার যাত্রা শুরু। তিনি বলছিলেন, আমি এই দেশে এসেছিলাম দু বছর আগে।

জাকারিয়া বলেন, আমি ভেবেছিলাম, এখানেই থাকবো জীবনে উন্নতি করবো, এবং জার্মানদের দেখিয়ে দেবো যে আমরা শুধু শরণার্থী নই।

তিনি আরো বলেন, কিন্তু আমার মনে হচ্ছে আমি এখানে একজন বহিরাগত। জার্মান সমাজের সাথে আমাদের কোন যোগাযোগ তৈরি হয় নি। আমরা এ সমাজে মিশতে চেষ্টা করেছি – কিন্তু সত্যি বলতে কি জার্মানরা খুবই শীতল, তারা আমাদেরকে গ্রহণ করার চেষ্টাও করতে চায় না।

তিনি বলছিলেন, আমি যা অর্জন করবো ভেবেছিলাম তার কিছুই করতে পারি নি, এক শতাংশও নয়। শুধু আমার ক্ষেত্রেই যে এমন হয়েছে তা নয়। এরকম আরো অনেক আছে।

এ যুবক বলেন, তাই আমি ঠিক সেই চোরাই পথ দিয়েই সিরিয়ায় ফিরে যাচ্ছি – যে পথ দিয়ে আমি এখানে এসেছিলাম।

পর দিন জাকারিয়া পৌঁছালেন গ্রিসের থেসালোনিকি শহরে। এই শহরের বাস স্টেশনটি জাকারিয়ার মতো সিরিয়ানদের জন্য যানবাহনের একটা বড় কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। মনে করা হয়, এ পথ দিয়ে প্রতি সপ্তাহে শত শত লোক যাচ্ছে।

জাকারিয়া বলেন দেশে ফেরার জন্য পথে নেমেই আমি কতটা উত্তেজিত। আমি এত অধীর হয়ে উঠেছি যে – দেশে পৌঁছানোর জন্য আমার তর সইছে না। যদিও এই পথটা কঠিন, এর ওপর আছে ঠান্ডা আর বৃষ্টি।

এখানে ৫০ জনেরও বেশি সিরিয়ান জড়ো হয়েছে যারা সিরিয়ার পথে তুরস্ক সীমান্তের উদ্দেশ্যে পাঁচ ঘন্টার এই বাস-যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। এদের মধ্যে শিশুরা আছে, একাধিক পরিবার আছে, অনেক মহিলা আছে যাদের কোলে শিশু।

কেন তারা এই বিপদ সংকুল পথ দিয়ে সিরিয়া ফিরে যাচ্ছেন?

এ কথা জিজ্ঞেস করলে দেখা যায়, সবারই আছে নিজ নিজ কারণ।

পর দিন জাকারিয়া এসে পৌঁছালেন গ্রিস-তুরস্ক সীমান্তে।

বেশ রাত হয়েছে। অবৈধ পথ দিয়ে সীমান্ত পার হয়ে তুরস্কে ঢোকার এটাই সময়। এ জন্য সিরিয়ানদের দলটি তৈরি হচ্ছে। সবারই ভেতরে একটা চাপা উত্তেজনা – কারণ এই পথ দিয়ে সীমান্ত পার হতে গিয়ে অনেকেই এর আগে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে।

সীমান্ত পেরোনোর আগে জার্মানীর উদ্দেশ্যে জাকারিয়ার শেষ বার্তা ছিল এই রকম, আমার জন্য জার্মানি বা অন্য কোনো ইউরোপীয় দেশে ফিরে যাওয়া অসম্ভব। আমরা মুসলিম, কিন্তু ওরা বলে আমরা সন্ত্রাসী। আমাদের দেখলে তারা ভয় পায় – যেন আমরা কোন দানব, মানুষ নই।

বিবিসির সংবাদদাতারা পরে জানতে পেরেছেন যে জাকারিয়া সহ পুরো দলটির সবাই নিরাপদে সীমান্ত পার হতে পেরেছে।

সূত্র: বিবিসি

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft