
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার বরিশাল ইউনিয়নের ভগবানপুর গ্রামের সাজু মিয়ার ছেলে হেলাল মিয়া আপন ফুফাতো বোন পঞ্চম শ্রেনীর ছাত্রীর সহিত জোর পূর্বক মেলামেশা করে। এতে করে এ ছাত্রীটি গর্ভবতী হয়ে পড়ে। গর্ভধারণের বিষয়টি পারিবারিক ভাবে জানাজানি হলে ঘটনাটি আপোষ মিমাংসার চেষ্টা চলে। অভিযুক্ত হেলাল মিয়া ঢাকায় স্বপরিবারে গার্মেন্টসের চাকুরিতে অবস্থান করায় ঘটনাটির আপোষ মিমাংসার সময় ক্ষেপন করে। গত ২২ এপ্রিল ছাত্রীটি তার নানা বাড়ীতে একটি কন্যা সন্তান প্রসব করলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সন্তান প্রসবের পর হতে এ ছাত্রীটি সন্তানের পিতৃ পরিচয়ের দাবী নিয়ে হেলালের পরিবারের কাছে যায়। হেলালের বাড়ীরপাশে ভিকটিমের নানা বাড়ীতে অনশন করে সন্তানের পিতৃ পরিচয় দাবী করে।
ছাত্রীটি জানায়, প্রায় ১০ মাস আগে নানা বাড়ীতে বেড়াতে এসে হেলালের লালসার স্বীকার হয়ে গর্ভবতী হয়ে পড়ে সেই হতে বিভিন্ন তালবাহনা করতে থাকে হেলাল মিয়া ও তার পরিবার। এখন তারা বলছে হেলাল আমাকে বিবাহ করবে। এ অবস্থায় আমি ও আমার সন্তান সেই আশায় আছি।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা ভানু বেগম জানান, বিষয়টি পারিবারিক ভাবে আপোষ মিমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার মেয়েকে হেলাল বিয়ে করলে আমাদের আর কোন আপত্তি নেই। যদি বিয়ে না করে তাহলে আমরা আইনের আশ্রয় নিবো।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হেলালের সাথে কথা বলতে গেলে তার মা হেলেনা বেগম জানান, উভয় পরিবারের সম্মতিতে ঘটনাটি আপোষ মিমাংসার চেষ্টা চলছে । হেলাল বাড়ীতে নেই। হেলালের আড়াই বছর বয়সি একটি কন্যা সন্তান ও স্ত্রী বাড়ীতে আছে। তবে এ সময় সাংবাদিকদের সামনে আসেনি অভিযুক্ত হেলালের স্ত্রী।