সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র গাইবান্ধায় সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে গাইবান্ধার সদর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে প্রাণখোলা ঈদ আড্ডা ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটিতে সাদুল্লাপুর উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের সকল জরুরী কার্যক্রম চলমান সাংবাদিকতা পেশা কতিপয় ব্যক্তির কারণে বিতর্কিত: তথ্যমন্ত্রী পলাশবাড়ীর ৩ ফিলিং স্টেশনে রেজিস্টার পরিদর্শন, পরিমাপ যাচাই না করায় প্রশ্ন লালমনিরহাট জেলা শহরে বাস-অটো সংঘর্ষে আহত ৮ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আমেজে পলাশবাড়ীতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন দল-মত নির্বিশেষে সকলে মিলে দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর সৌদির সাথে মিল রেখে পলাশবাড়ীতে ঈদ উদযাপন

না ফেরার দেশে স্টিফেন হকিং

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ১৪ মার্চ, ২০১৮
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান সময়ের বিশ্ববিখ্যাত প্রবীণ পদার্থবিদ স্টিফেন উইলিয়াম হকিং আর নেই। কোয়ান্টাম বিজ্ঞানের তত্ত্ব কৃষ্ণগহ্বর ও আপেক্ষিকতাবাদের জন্য তিনি জগৎজোড়া কিংবদন্তি বিজ্ঞানীর মর্যাদায় আসীন ছিলেন।

৭৬ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই বিজ্ঞানী মারা যান বলে পরিবারের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বুধবার সকালে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির লুকাসিয়ান অধ্যাপক ছিলেন, যে পদে একসময় ছিলেন স্যার আইজাক নিউটন।

স্টিফেন উইলিয়াম হকিংয়ের তিন সন্তান লুসি, রবার্ট ও টিম বলেছেন, আমরা গভীর ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানাচ্ছি, আমাদের পরম ভালোবাসার বাবা আর নেই।

তিনি একজন জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী এবং একজন অসাধারণ মানুষ ছিলেন। তার কাজ ও উত্তরাধিকার অনেক বছর ধরে বেঁচে থাকবে, যোগ করেন হকিংয়ের সন্তানরা।

হকিং ১৯৪৮ সালের ৮ জানুয়ারি ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা ড. ফ্রাঙ্ক হকিং ছিলেন জীববিজ্ঞানের গবেষক আর মা ইসাবেলা ছিলেন রাজনৈতিক কর্মী। উত্তর লন্ডনের এই পরিবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অক্সফোর্ডে আসে। ছেলেবেলা থেকেই হকিংয়ের আগ্রহ ছিল বিজ্ঞান আর গণিতে।

মাত্র ২১ বছর বয়সে হকিং মোটর নিউরন নামে এক জটিল রোগে আক্রান্ত হন। পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে হুইলচেয়ারেই জীবনের বেশির ভাগ সময় কাটান। মুখের পেশির নড়াচড়ার মাধ্যমে কম্পিউটারে তৈরি করা স্বরে তিনি অর্থপূর্ণ অভিব্যক্তি প্রকাশ করতেন। সমস্ত শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে দূরে ঠেলে তিনি সৃষ্টিতত্ত্ব ও আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্বকে বিকাশিত করেন।

মানুষের মৃত্যু-পরবর্তী জীবন নিয়ে নানা কথা চালু থাকলেও হকিং মনে করতেন, এ শুধুই রূপকথা। সেই রূপকথার জগতেই ঠাঁই নিলেন এই বিজ্ঞানী।

সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে ‘কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস’ গ্রন্থটি হকিংকে সাধারণ বিজ্ঞানমনস্ক মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে পরিচিত করে তোলে। এ বইটি সারাবিশ্বে কয়েক কোটি কপি বিক্রি হয়। তিনি প্রিন্স অব অস্ট্রিয়ান্স পুরস্কার, জুলিয়াস এডগার লিলিয়েনফেল্ড পুরস্কার, উলফ পুরস্কার, কোপলি পদক, এডিংটন পদক, হিউ পদক, আলবার্ট আইনস্টাইন পদক অর্জন করেছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft