1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ন
৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১লা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পলাশবাড়ীতে ডিজিটাল সংযোগ স্থাপন প্রকল্পে গ্রাহক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান পলাশবাড়ীতে আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে উপজেলা জামায়াতের প্রস্তুতি সভা সুন্দরগঞ্জে অবৈধ ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের দুই লাখ টাকা জরিমানা ফুলছড়িতে সিপিবির মতবিনিময় সভায় কেন্দ্রীয় সভাপতি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে কাস্তে মার্কায় ভোট দেওয়ার আহ্বান পলাশবাড়ীতে আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে পৌর জামায়াতের প্রস্তুতি সভা নেপালকে ৩-০ গোলে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ ব্রিটিশ মিডিয়ার বিরুদ্ধে শেষ আইনি লড়াইয়ে আদালতে ফিরছেন হ্যারি গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ-তে সিল দিন: প্রধান উপদেষ্টা বেগম খালেদা জিয়া’র বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় পলাশবাড়ীতে দো’আ মাহফিল গাইবান্ধায় গণভোট নিয়ে মতবিনিময় সভায় স্লোগান, বক্তব্য অসমাপ্ত রেখে মঞ্চ ছাড়লেন ড. আসিফ নজরুল

৭ মার্চের ভাষণের আবেদন যুগ যুগ ধরে থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট হয়েছে : শুক্রবার, ৯ মার্চ, ২০১৮
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

৭ মার্চের ভাষণ কোনও লিখিত ভাষণ না, কোনও রিহার্সেল দিয়ে তৈরি করা ভাষণও না। এই ভাষণ দীর্ঘ ২৩ বছরের লাঞ্ছনা-বঞ্চনা ও প্রতিবাদের কণ্ঠস্বর। এই ভাষণের আবেদন যুগ যুগ ধরে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণকে ইউনেস্কোর স্বীকৃতি উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শুক্রবার বিকালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর যে কোনও ভাষণের চেয়েও এই ভাষণ সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমধর্মী। এর কোনও তুলনা হয় না। এটি অতুলনীয় ভাষণ। ১৯৭৫ সালের পর ২১ বছর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল এ ভাষণ বাজানো। কিন্তু আন্তার্জাতিকভাবে এ ভাষণ আজ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। মুক্তিযুদ্ধে সম্পূর্ণ দিক নির্দেশনা ছিল এ ভাষণ। এ ভাষণটি মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রতিদিন বাজানো হতো। ১৯৭৫ সালের পর হারিয়ে গিয়েছিল এ ভাষণ, বাঙালি জাতি তা আবারও ফিরে পেয়েছে। শুধু বাংলাদেশ না, সারা বিশ্ব এ ভাষণ নিয়ে গর্বিত।’

এসময় ছয় দফাকে মুক্তির সনদ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছয় দফার বিপরীতে একটি আট দফা দেওয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে দলের মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত হয় ছয় দফা থেকে আমরা বিচ্যুত হবো না।’

এর আগে আগরতলা মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১৫ ফেব্রুয়ারি আগরতলা মামলার আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে হত্যা করা হয়। এ হত্যাই ছিল বঙ্গবন্ধুকে হত্যা-পরিকল্পনার একটা অংশ। এরপর উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ফলে বঙ্গবন্ধুকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় পাকিস্তান সরকার। এরপর তিনি লন্ডনে যান। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মিটিং করেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ জিতবে কিন্তু পাকিস্তানিরা ক্ষমতা হস্তান্তর করবে না। তাই তিনি সেখানে বসেই সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আগরতলা মামলায় বঙ্গবন্ধু জেল থেকে বের হয়ে আসার পর প্রায়ই বলতেন- আমার ছয় দফা মানে বলেই তিনি একটা আঙুল দেখাতেন। তখন এই কথা মুখ দিয়ে উচ্চারণ করা নিষেধ ছিল। আমরা এ কারণে ইশারাতেই সব বুঝে যেতাম।’

তিনি আরও বলেন, ‘১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে মার্শাল-ল দেওয়ার সময়েই তিনি স্বাধীনতার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। ছাত্রলীগকে দিয়ে ১৯৬২ সালের পর থেকেই একটা ‘নিউক্লিয়াস’ তিনি ফর্ম করেছিলেন। প্রতিটি জেলায়-মহকুমায় তিন সদস্যের কমিটি ছিল। স্বাধীনতার প্রস্তুতি অনেক আগেই নেওয়া হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধ শুরুর সময় তাদের নিয়েই মুজিব বাহিনী গঠন করা হয়।’

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft