
জাতিসংঘের গণহত্যা বিষয়ক বিশেষ দূত আদামা দিয়েং এক সপ্তাহের জন্য বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। তিনি বৃহস্পতিবার দুপুরে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাবেন।
সেখানে ১১ মার্চ পর্যন্ত অবস্থান করবেন তিনি। ওই সময়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন এবং রাখাইনের গণহত্যা-বর্বরতার সাক্ষী বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্দশার কথা শুনবেন তিনি। নিউইয়র্কে ফিরে তিনি এ নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতারেস কাছে রিপোর্ট করবেন। মিয়ানমার বাহিনীর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ এলে সাক্ষী হিসেবে এটি আমলে নেয়ার সুযোগ থাকবে বলে আশা করছে রোহিঙ্গা সংকটের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী বাংলাদেশ।
এর আগে বুধবার রাতে ঢাকায় পৌঁছান আদামা দিয়েং।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
উল্লেখ্য, অপরাধ দমনের নামে ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রাখাইনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করছে আমেরিকা।
ঢাকায় ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ট্রান ডাই কোয়াং
ঢাকা: দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট ট্রান ডাই কোয়াং তিনদিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তাকে হজরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন।
রবিবার বিকেলে চারটার দিকে তাকে বহনকারী বিমানটি অবতরণ করে। এর আগে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের আগমন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। রাজধানী ঢাকার প্রধান প্রধান সড়কগুলোকে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের পতাকা দিয়ে মনোরমভাবে সাজানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, রবিবার বিকালে বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। সফরকালে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
এছাড়া রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের সফরকালে ভোজের আয়োজন করবেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সফরকালে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যে মেশিন ম্যানুফ্যাকচারিং ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতাসহ চারটি বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে।
বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪৫ বছর উদযাপন উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট ট্রান ডাই কোয়াংয়ের এ সফর খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। ২০০৪ সালের পর এটাই ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্টের প্রথম সফর। সফরকালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক দিক বিশেষ করে বিজনেস ফোরাম ও সাংস্কৃতিক প্রতিনিধি দলের পরিবেশনা থাকার কথা রয়েছে।