
গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার পবনাপুর ইউনিয়নের বালাবামুনিয়া গ্রামের ঠান্ডা কাজী (৫৫)। কাজী নয় তবু কাজী বিভিন্ন বাল্য বিবাহ রেজিস্টি করে থাকেন ভূয়া রেজিস্টারে। দীর্ঘদিন হতে এমন কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন তিনি।
তিনি স্থানীয় ও পাশ্ববর্তী কাজীদের সহযোগীতা করেন বলে দাবী করেন ঠান্ডা মিয়া। অত্র এলাকার বাল্য বিবাহ গুলো চুপিসারে গোপনে ভুয়া রেজিস্টার করেন উভয় পরিবারকে ম্যানেজ করে। লোক দেখানো বৈধতায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করেন কিশোর কিশোরী।
তার নিজ গ্রামের বালাবামুনিয়া গ্রামের বুলু মিয়ার ৯ম শ্রেনীতে পড়ুয়া ছেলে আনোয়ারুলে সহিত একই গ্রামের সপ্তম শ্রেনী সাড়ে তের বছরের এক ছাত্রী সহিত বিবাহ রেজিস্টি করেন এ ঠান্ডা কাজী গত ১২ ফেব্রুয়ারী রাত্রি ২ টায় গ্রামবাসীর অজান্তে। এ বিষয়টি প্রকাশ হলে ঠান্ডা কাজীর কাছে গেলে বিষয়টি আরো বিস্তারিত জেনে ঘটনা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।
ঠান্ডা কাজী প্রতিবেদককে বলেন উভয় পরিবার আপনাদের সাথে আলোচনা করেনি। সমস্যা নেই আপনাদের বিষয়টি দেখা হবে। আপনাদের খরচাপাতি দেওয়া হবে। আপনারা একটু অপেক্ষা করুন।
উল্লেখ্য,গোটা জেলায় যখন জনতা, জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন সকলে মিলে বাল্য বিবাহ বন্ধে ঘোষণা করে জোড়ালো প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে ঠিক এ সময়ে এভাবে প্রতিনিয়ত গোপনে ম্যানেজ প্রক্রিয়া বাল্য বিবাহ সম্পন্ন করছেন এ কাজীর হ্যান্ডেল ঠান্ডা কাজী।
ঠান্ডা কাজী (৫৫) উপজেলার বালাবামুনিয়া গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।