1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন
৫ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৩০শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
হ্যাঁ ভোটের প্রচারণায় প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বাধা নেই : আলী রীয়াজ পলাশবাড়ীতে ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সমাবেশ ও নির্বাচনী আলোচনা সভা পলাশবাড়ীতে আমীরে জামায়াতের জনসভা সফল করতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় গাইবান্ধায় কালোবাজারে বিক্রির সময় ২০ বস্তা সার জব্দ পলাশবাড়ীতে শৈত্যপ্রবাহে হলদে বিবর্ণ বোরো বীজতলা নিয়ে মহাদুশ্চিন্তায় ভূক্তভোগী কৃষক ফুটপাতেই ডাক্তারের উপহার প্রশ্নবিদ্ধ স্বাস্থ্যখাতের নৈতিকতা ! নারীই সমাজ গঠনের মূল চালিকা শক্তি: এটিএম আজহারুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদীয় আসন; সব ক্ষেত্রে উপেক্ষিত নৃগোষ্ঠী, উন্নয়নের নামে এক দীর্ঘ প্রতীক্ষা গোবিন্দগঞ্জে বেগম জিয়ার আত্মার শান্তিতে সনাতনী সম্প্রদায়ের বিশেষ প্রার্থনা তারাগঞ্জে এবি পার্টির নেতা ইউনুস গ্রেপ্তার

যুক্তরাজ্যে সংবাদপত্র টিকিয়ে রাখতে থেরেসার উদ্যোগ

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

 

যুক্তরাজ্যে সংবাদপত্র শিল্প টিকিয়ে রাখার উপায় খুঁজতে এ শিল্পের ভবিষ্যৎ পর্যালোচনার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। গত মঙ্গলবার ম্যানচেস্টারে এক ভাষণে ওই ঘোষণা দেন তিনি। বলেন, ‘একের পর এক ছাপা সংবাদপত্র বন্ধ হয়ে যাওয়া আমাদের গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক।’

এই পর্যালোচনার নেতৃত্বে কে থাকবেন শিগগিরই তা ঠিক করা হবে বলে জানান থেরেসা মে। জাতীয়, আঞ্চলিক ও স্থানীয় ছাপা সংবাদপত্রগুলোর জন্য কীভাবে টেকসই তহবিল জোগানের ব্যবস্থা করা যায় সেটি খতিয়ে দেখবে পর্যালোচনা কমিটি।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘বিশ্বাসযোগ্য’ সংবাদ পরিবেশকের সংখ্যা কমতে থাকার বিষয়টি জনগণকে ‘আস্থা রাখা যায় না’ এমন সংবাদে প্রভাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে ফেলেছে।

সংবাদমাধ্যমকে মঙ্গল বয়ে আনার একটি বড় শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে মে বলেন, মানসম্মত সাংবাদিকতা তথ্য ও বিশ্লেষণ দিয়ে আমাদের মতামত গঠন ও আলোচনায় সাহায্য করে।

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে করা প্রেস গেজেটের এক গবেষণার বরাত দিয়ে বিবিসি জানায়, ওই সময় থেকে পূর্ববর্তী ১৮ মাস সময়ে যুক্তরাজ্যে আঞ্চলিক ও স্থানীয় ৪৬টি ছাপা সংবাদপত্র বন্ধ হয়ে গেছে। আর ২০০৫ সাল থেকে ছাপা সংবাদপত্র কমেছে ১৯৮টি। এর মধ্যে ‘ট্রিনিটি মিরর’ এবং ‘জন্সটন প্রেস’ এর মতো কোম্পানিগুলোকেও ছাপা কাগজ বন্ধ করতে হয়েছে কিংবা একাধিক সংবাদপত্রকে একীভূত (মার্জ)করতে হয়েছে।

বিবিসির খবরে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাজ্যের অনেকগুলো জাতীয় পত্রিকা তাদের ছাপা কাগজের সংখ্যা (প্রিন্ট সারকুলেশন) কমিয়ে দিয়েছে। অধিক সংখ্যক মানুষ অনলাইনে সংবাদ পড়ায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠার কারণে এমনটি করতে হচ্ছে।

‘দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’ ২০১৬ সালে তাদের ছাপা সংস্করণ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। লোকসান কমাতে সম্প্রতি প্রভাবশালী দৈনিক ‘দ্য গার্ডিয়ান’ এবং ‘অবজারভার’ তাদের ছাপা কাগজের আকার ছোট করে ‘ট্যাবলয়েড’ সাইজে প্রকাশ করছে। এর আগে ‘দ্য টাইমস’ কাগজের আকার ছোট করে।

রিচার্ড ডেসমন্ডের কোম্পানি ‘নর্দান অ্যান্ড শেল’ প্রকাশিত ‘ডেইলি এক্সপ্রেস’, ‘সানডে এক্সপ্রেস’ এবং ‘ডেইলি স্টার’ বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এগুলো কিনে নিতে আলোচনা চালাচ্ছে মিরর গ্রুপ।

দেশটির দ্য নিউজ মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন বলছে, সংবাদপত্রকে টিকিয়ে রাখতে হলে অবশ্যই একটি টেকসই ব্যবসায়িক মডেল খুঁজে বের করতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডেভিড ডিন্সমোর বলেন, ডিজিটাল মাধ্যমে সংবাদের গ্রাহক বেশ বেড়েছে। কিন্তু ডিজিটাল মাধ্যমে মানসম্মত সংবাদ পরিবেশনের জন্য যে বিনিয়োগ দরকার সেটি আসছে না।

ডিজিটাল মাধ্যম থেকে সংবাদ পরিবেশকেরা বিজ্ঞাপনের ন্যায্য হিস্যা পাচ্ছে কি-না, ফেসবুক এবং গুগলের মতো অনলাইন মাধ্যমগুলো কিভাবে সংবাদপত্র সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে এবং কিভাবে সেসব তথ্য কাজে লাগাচ্ছে তাও খতিয়ে দেখবে থেরেসা মে ঘোষিত পর‌্যালোচনা কমিটি। এ ছাড়া অনলাইনে নিম্ন মানের সংবাদ এবং ‘ক্লিকবেইট’ (চমকে দেয়া শিরোনাম দিয়ে দর্শক টানা) নিয়ন্ত্রণের উপায় খুঁজবে এ কমিটি।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft