
বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলায় নবনির্মিত দেশের ৩১তম ‘শেখ হাসিনা সেনানিবাস’র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার পটুয়াখালীর লেবুখালী অংশ থেকে সেনানিবাসের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সেনাবাহিনীর ৯টি ডিভিশনের আওতায় দেশে ৩০টি সেনানিবাস থাকলেও এতদিন দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কোনো সেনানিবাস ছিল না। দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি জেলায় বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ২০০ কিলোমিটার দূরের যশোর সেনানিবাসের সহায়তা নিতে হতো।
জাতীয় ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তাসহ দক্ষিণ উপকূলের ৬ জেলার প্রাকৃতিক দুর্যোগ মেকাবেলায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার দেড় হাজার একর এলাকায় আনুষ্ঠানিক সূচনা হল ১৭ হাজার জনবলের নবনির্মিত শেখ হাসিনা সেনানিবাস।
এর আগে সকাল সোয়া ১১টার সময় হেলিকপ্টারে করে সেনানিবাসের বরিশাল অংশের বাকেরগঞ্জ পৌঁছান শেখ হাসিনা। পরে পটুয়াখালীর লেবুখালী অংশে যান এবং রাষ্ট্রীয় অভিবাদন গ্রহণ করেন।
বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী সফরে প্রধানমন্ত্রীর সেনানিবাসসহ বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলায় ৫৪টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ৩৫টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে। এর মধ্যে বরিশালে ৭৫টি এবং পটুয়াখালীতে ১৪টি।
এরপর বিকালে বরিশাল বঙ্গবন্ধু উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়েজিত জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
জনসভায় তিন লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটানোর টার্গেট নেওয়া হয়েছে। সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর এ সফর তার অবিচল দৃঢ়তার প্রমাণ বলে মনে করছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রচারণার এই জনসভাকে ঘিরে নগরজুড়েই শোভা পাচ্ছে তোরণ, বিলবোর্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন।