
এদেশের হাজার বছরের ইতিহাস রয়েছে।বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করার জন্য বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে।অশুভ পথে ক্ষমতা দখলকারীরা দেশের জন্য কিছু করে না, তারা নিজেদের আখের গোছাতেই সব সময় ব্যস্ত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার বাংলা একাডেমিতে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা।বিকেলে এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০১৭ দেয়া হয়।
এবার লেখক প্রকাশকদের দাবির মুখে মেলার সময়সূচি বৃদ্ধি করা হয়েছে। ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে এ মেলা। এছাড়া ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত মেলা চলবে।
মাসব্যাপী এ মেলা উপলক্ষে ২২-২৩শে ফেব্রুয়ারি বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। সম্মেলনে বাংলাদেশসহ ফ্রান্স, স্পেন, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভারতসহ আটটি দেশের ১৫ জন কবি-লেখক-বুদ্ধিজীবী অংশ নেবেন। এছাড়া ২ থেকে ২৮শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন বিকাল ৪টায় মেলার মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে সেমিনার।
মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে এবারও থাকছে শিশু কর্নার। এই কর্নারকে শিশু-কিশোর বিনোদন ও শিক্ষামূলক অঙ্গসজ্জায় সজ্জিত করা হবে। মাসব্যাপী গ্রন্থমেলায় এবারও ‘শিশুপ্রহর’ ঘোষণা করা হবে। শিশু কর্নারে এবার নতুন সংযোজন ‘মাতৃদুগ্ধ সেবাকেন্দ্র’। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা থাকবে।
মেলায় আগত মানুষের বসার স্থানসহ নান্দনিক ফুলের বাগানও নির্মাণ করা হয়েছে। গ্রন্থমেলায় টিএসসি, দোয়েল চত্বর দিয়ে দুটি মূল প্রবেশপথ, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তিনটি পথ, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বের হওয়ার আটটি পথ থাকবে।
এবারই প্রথম সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য একটি দৃষ্টিনন্দন নতুন সুপ্রশস্ত গেট নির্মাণ করা হয়েছে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার জন্য মেলা এলাকায় আড়াইশো ক্লোজড সার্কিট ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গ্রন্থমেলা সম্পূর্ণ ধূমপানমুক্ত থাকবে।