
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি সামরিক একাডেমিতে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে।
সোমবার ভোরে মার্শাল ফাহিম ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটিতে এ হামলা হয় বলে কাবুল থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে।
অন্যদিকে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি সামরিক একাডেমিতে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। সোমবার ভোরে মার্শাল ফাহিম ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটিতে এ হামলা হয় বলে কাবুল থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা সামরিক একাডেমির ভেতর থেকে বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ শোনার কথা জানিয়েছেন। আফগানিস্তানের স্থানীয় সময় ভোর ৫টার দিকে একাডেমির ভেতর থেকে প্রথম গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যায়।
নিরাপত্তা বাহিনী ওই এলাকায় যাওয়ার সব সড়ক বন্ধ করে দিয়েছে। এ হামলায় এখন পর্যন্ত কয়েকজন হতাহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে এ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত আর কিছু জানা যায়নি।
কাবুলে অ্যাম্বুলেন্স বোমা হামলায় অন্তত ১০০ ব্যক্তি নিহত হওয়ার দু’দিন পর সামরিক একাডেমিতে এ হামলার খবর পাওয়া গেল। শনিবারের হামলার পর কাবুলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।
উগ্র জঙ্গি গোষ্ঠী তালেবান ও দায়েশ সাম্প্রতিক সময়ে আফগানিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা বাড়িয়ে দিয়েছে। এক সপ্তাহ আগে কাবুলের একটি বিলাসবহুল হোটেলে জঙ্গি হামলায় ২২ ব্যক্তি নিহত হয় যাদের বেশিরভাগই বিদেশি। কাবুলের দু’টি হামলারই দায়িত্ব স্বীকার করেছে তালেবান।
আফগানিস্তানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে রাশিয়ান ট্যাংক, হেলিকপ্টার
রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর আর্মার্ড ট্যাংক ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার ইউনিট গত কয়েকদিন ধরে আফগানিস্তান-তাজিকিস্তান সীমান্তে তৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। এর মাধ্যমে মধ্য এশিয়ায় মস্কোর সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
রাশিয়ার সরকারি সূত্র মতে, তাজিক সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সন্ত্রাসবাদ বিরোধী প্রচেষ্টা জোরদার করতে রাশিয়া সেখানে ভারী সামরিক সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে।
তাজিকিস্তানে পাঠানো রাশিয়ার সামরিক সরঞ্জামের তালিকায় আছে টি-৭২ যুদ্ধ ট্যাংক, বিএমপি-২ পদাতিক বাহিনীর সামরিক যানবাহন, বিটিআর-৮০ সাঁজোয়া যান, এমআই-৪ এ্যাটাক হেলিকপ্টার এবং ডি-৩০ কামান।
তাজিকিস্তান রুশ নেতৃত্বাধীন মধ্য এশীয় সামরিক সহযোগিতা সংগঠন ‘কালেকটিভ সিকিউরিটি অর্গানাইজেশন’র একটি সক্রিয় সদস্য।
আইএসের মতো সিরিয়া ও ইরাকে পরাজিত সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো মধ্য এশীয় দেশগুলো (মূলত আফগানিস্তানে) ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা করছে বলে রিপোর্ট প্রকাশের পর থেকে মস্কো সামরিক-কূটনৈতিক চ্যানেলগুলোর মাধ্যমে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। এর মধ্যেই তাজিকিস্তানে রাশিয়ান সেনাবাহিনীর আক্রমণাত্মক শক্তি মোতায়েন এর সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।
স্নায়ুযুদ্ধ শেষ হওয়ার পর থেকে তাজিকিস্তানে একটি বড় আকারের সামরিক ঘাঁটি পরিচালনা করছে রাশিয়া। এখানে সাত হাজার মোটরচালিত রাইফেলধারি সেনা ও তাদের প্রয়োজনী সামরিক সরঞ্জাম রয়েছে।