
ইরান ইস্যুতে মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও সৌদি আরবের কড়া সমালোচনা করলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রন ছেন। তার অভিযোগ, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরম্ভ করার পথে হাটছে এই তিন দেশ।
বার্তাসংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, চলমান ইরানে সরকার-বিরোধী বিক্ষোভ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যপক আলোচনা চলছে। বিভিন্ন দেশের নেতারা এই বিক্ষোভ নিয়ে নিজ নিজ অবস্থান ব্যক্ত করেছে। এই ইস্যুতে তেহরানের সঙ্গে সংলাপের আহ্বান জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও সৌদি আরবের কড়া সমালোচনা করে ইম্যানুয়েল ম্যাক্রন বলেন, এই দেশগুলো ইরানের ব্যাপারে যুদ্ধংদেহী অবস্থান নিয়েছে। তিন দেশই বেশ কয়েক বছর ধরে আন্তর্জাতিকভাবে ইরানকে একঘরে করর চেষ্টা করছে।
তিনি হুশিঁয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও সৌদি আরব, যারা বিভিন্নভাবেই আমাদের মিত্র, তাদের নেওয়া আনুষ্ঠানিক অবস্থান প্রায় নিশ্চিতভাবেই আমাদেরকে যুদ্ধের দিকে ধাবিত করবে। এই দেশগুলোর মধ্যে কেউ আবার উদ্দেশ্যমূলকভাবেই এমন কৌশল হাতে নিয়েছে।
ইরানে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু আক্রমণাত্মক অবস্থান নেন। সৌদি আরবও ইরানকে এক নম্বর শত্রু মনে করে দেশটির মালিকানাধীন বিভিন্ন টিভি চ্যানেল আক্রমণাত্মক প্রচারণা চালিয়ে আসছে।
ইরানের সরকারী কৌঁসুলি মোহাম্মদ জাফর মোনতাজেরিন এই বিক্ষোভের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বহিঃগোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ, ইসরাইল ও সৌদি আরবকে দায়ী করেছেন।
বিক্ষোভ দমন করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। দেশটির বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী বলছে, দেশে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশটির বিভিন্ন স্থানে সরকারপন্থী সমাবেশও অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা সংঘটন, সেন্সরশিপ আরো ও ইরানের জনগণের সম্পদ আত্মসাৎকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার যথেষ্ট কর্তৃত্ব রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।