
বিশ্ব পরিবেশ সুরক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখা সংস্থা ‘দ্য এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সি (ইপিএ)’ ছেড়ে চলতি বছর দুই শতাধিক বিজ্ঞানী চলে গেছেন। পরিবেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত নীতিতে অসন্তোষ-হতাশার জেরে ও তার নেতিবাচক পরিবেশ নীতির প্রতিবাদেই এতসংখ্যক বিজ্ঞানী সংস্থাটি ত্যাগ করেন।
গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ ও স্কট প্রুইটকে ইপিএর প্রশাসকের দায়িত্ব দেওয়ার পর সংস্থাটি ছেড়ে গেছেন ওই দুই শতাধিক বিজ্ঞানী ছাড়াও ৭০০-এর বেশি কর্মী। জলবায়ু পরিবর্তনে মানুষের কর্মকাণ্ডের যে বিরাট প্রভাব রয়েছে, তা অস্বীকার করে থাকেন প্রুইট। ইপিএর দায়িত্ব গ্রহণের পর এ সংস্থাকে নানা আইনি ঝামেলাতেও জড়িয়েছেন তিনি।
বিজ্ঞানী ও পরিবেশকর্মীর ইপিএ ছেড়ে চলে যাওয়া প্রসঙ্গে টাইমস বলেছে, সংস্থাটির কর্মীরা বলছেন, এই বিজ্ঞানীদের চলে যাওয়ার সঙ্গে এ সংস্থা থেকে বায়ু ও পানি রক্ষায় দশকের পর দশক ধরে অর্জিত জ্ঞানের এক সমৃদ্ধ ভান্ডারও বিদায় নিয়েছে।
সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের জরুরি অধিবেশনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিশ্বের শতকরা ৯০.৫ ভাগ মানুষ ভোট দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবারের ভোটাভুটির মাধ্যমে পরিষ্কার হয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে বিশ্বের কত বিশাল জনমত রয়েছে।
ফিলিস্তিনের বায়তুল মুকাদ্দাস ইস্যুতে বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হয় এবং বিশ্বের ১২৮টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরাইলসহ শুধু নয়টি দেশ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয় এবং ৩৫টি দেশ ভোট দেয়া থেকে বিরত ছিল।
বিষয়টিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শুধুমাত্র ভোটে হেরে যাওয়া হিসেবে দেখা হচ্ছে না বরং বিশ্বের শতকরা ৯০ ভাগের বেশি মানুষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে- এ বিষয়টিকে আলাদা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাধারণ পরিষদের ওই ভোটের ফলাফল থেকে এ কথা সুস্পষ্টভাবে ফুটে উঠছে যে, বিশ্বের বিশাল জনগোষ্ঠী বায়তুল মুকাদ্দাস ইস্যুতে মার্কিন সিদ্ধোন্তের বিরুদ্ধে তাদের মতামত তুলে ধরেছে। শুধু তাই নয়, মার্কিন মিত্ররাও এ সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।