1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর বাণী - খবরবাড়ি24.com
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৫শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভায় হতদরিদ্রদের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ ডেঙ্গু প্রতিরোধে গাইবান্ধায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বর্ণাঢ্য র‌্যালী গোবিন্দগঞ্জে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ অভিযান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এমপি শামীম কায়সার লিংকন মহাশ্মশানের জায়গা দখলের চেষ্টা: মাসুদ রানার বিরুদ্ধে বিক্ষুব্ধ গাইবান্ধাবাসীর মানববন্ধন গোবিন্দগঞ্জে ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেফতার ইরান যুদ্ধ বন্ধের উপায় খুঁজছেন ট্রাম্প ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর পলাশবাড়ী পৌরসভায় ১৫৪৯ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ-এর চাল বিতরণ পলাশবাড়ীতে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইউপি সদস্য পদে নির্বাচন করবে গাইবান্ধার দুই আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর

কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকীতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর বাণী

  • আপডেট হয়েছে : রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৭
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণী দিয়েছেন। বানীতে তারা কবি বেগম সুফিয়া নারী সমাজের মুক্তির অনুপ্রেরণার উৎস বলে উল্লেখ করেছেন।

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বলেছেন, কবি বেগম সুফিয়া কামালের মতো মহীয়সী নারীর জীবনাদর্শ ও সাহিত্যকর্ম দেশপ্রেমের মহান চেতনায় তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে। খবর বাসসের।

কবি বেগম সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। নারীমুক্তি, গণতন্ত্র ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রদূত কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সুফিয়া কামাল ছিলেন নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা। তিনি (সুফিয়া কামাল) নারীসমাজকে অজ্ঞানতা, কুসংস্কারের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার, মুক্তিযুদ্ধসহ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলনে তিনি আমৃত্যু সক্রিয় ছিলেন।’

মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তিনি ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘বিভিন্ন গণতান্ত্রিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তার অবদানের জন্য তাকে ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।’

আবদুল হামিদ উল্লেখ করেন, ১৯১১ সালে কবি সুফিয়া কামালের যখন জন্ম তখন বাঙালি মুসলমান মেয়েদের শিক্ষার সুযোগ ছিল একেবারে সীমিত। নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি নিজের আগ্রহে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য চর্চা করেন। তিনি নিজ উদ্যোগে শুধু নিজেকে শিক্ষিত করেননি, পিছিয়ে পড়া নারী সমাজকে শিক্ষার সুযোগ করে দেয়ারও আন্দোলন শুরু করেছিলেন।

সুফিয়া কামালের প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ’ নারী অধিকার আদায়ের এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। তিনি তার কাব্যপ্রতিভা ও কর্মের গুণে ‘আমাদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকবেন’ বলে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন। তিনি কবি সুফিয়া কামালের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কবি বেগম সুফিয়া কামালের সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পচাঁত্তরের পনেরই আগস্টে নির্মমভাবে হত্যা করে যখন এদেশের ইতিহাসে বিকৃতির পালা শুরু হয়, তখনো তার সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কবি বেগম সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া তার বাণীতে এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বেগম সুফিয়া কামালকে বাংলাদেশের প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃত হিসাবে অভিহিত করে তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, ‘কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তার আপোসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা।’

‘বাংলা সাহিত্যে তার সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ সংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তার লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।’

নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বাণীতে আরো বলেন, ‘সুফিয়া কামাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবি জানান। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে গঠিত আন্দোলনে তিনি যোগ দেন। শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা’র তিনি প্রতিষ্ঠাতা।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তার প্রত্যক্ষ উপস্থিতি ছিল। এজন্য তিনি ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত হন।’

প্রধানমন্ত্রী কবি বেগম সুফিয়া কামালের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!