1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
২৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৪শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
পীরগঞ্জে সরিষা চাষে বিপ্লব, দুই ফসলি জমি হচ্ছে তিন ফসলি গাইবান্ধা জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড-কল্যাণ সভা ও অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত সুন্দরগঞ্জে ট্রাক্টরের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর অসহায় বিচারপ্রার্থী ও দারিদ্রপ্রীড়িত জনসাধারণের মাঝে গাইবান্ধা জেলা ও দায়রা জজের শীতবস্ত্র বিতরণ ফুলছড়িতে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে কারিগরি কলেজের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান ইব্রাহিম আকন্দ সেলিম এসিল্যান্ড অবিদীয় মার্ডি হত্যাকান্ডের বিচারের জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন স্বজনরা বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির গাইবান্ধার গণমানুষের বর্ষীয়ান নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা কমরেড বাদল হাজী’র ইন্তেকাল পলাশবাড়ীর হোসেনপুর ইউপি কার্যালয় পরিদর্শন করলেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মুশফিকুর রহমান সাঘাটার বোনারপাড়ায় স্টেশনে ট্রেনের বগি থেকে বৃদ্ধের মহদেহ উদ্ধার অনিয়ম-জালিয়াতির অভিযোগে ‎প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবীতে গাইবান্ধায় মানববন্ধন

তিন পুলিশ কর্মকর্তার মায়ের হাতে ভিক্ষার থালা!

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলায় দু-মুঠো খাবারের সন্ধানে পাড়ায় পাড়ায় ভিক্ষা করছেন ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মা মোছা. মনোয়ারা বেগম(৭০)। তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের মৃত আয়ুব আলী সরদারের স্ত্রী।

আয়ুব আলী মারা গেলেও রেখে গেছেন স্ত্রীসহ ৬ সন্তান। ৫ ছেলের মধ্যে ৩ জন পুলিশে চাকরি করেন। অন্য দুই সন্তানের একজন ব্যবসা করেন ও অপরজন ইজি বাইক ভাড়ায় চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এক মেয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা। অথচ তাদের গর্ভধারিনী মা দু-মুঠো খাবারের সন্ধানে মানুষের দ্বারে দ্বারে ভিক্ষা করেন।

বর্তমানে ভিক্ষা করাও বন্ধ হয়ে গেছে। কারণ ৪-৫ মাস পূর্বে ভিক্ষা করতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে কোমরের হাড় ভেঙে গেছে তার। তাই বর্তমানে দু’বেলা ভাতও জুটছে না তার ভাগ্যে।

জানা গেছে, মৃত আয়ুব আলী সরদার সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান ছিলেন। অভাব অনটনের সংসার হলেও ৬ সন্তান নিয়ে সুখেই দিন কাটছিলো আয়ুব আলী ও মনোয়ারা দম্পতির। অভাবের সংসারেও ৬ সন্তানকে কমবেশি শিক্ষিত করে গড়ে তুলেছেন তারা।

২০০৪ সালের ১ অক্টোবর আয়ুব আলী সরদার মৃত্যুবরণ করেন। স্বামীর চির বিদায়ের সাথে সাথে মনোয়ারা বেগমের সুখের দিনও বিদায় হয়ে যায়। শুরু হয় কষ্টের জীবন। আজ ৩ পুলিশ কর্মকর্তার মা’কে দু-মুঠো খাবারের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হয় ভিক্ষার জন্য।

বর্তমানে সত্তরোর্ধ বৃদ্ধা মনোয়ারা বেগম বয়সের ভারে স্বাভাবিক অবস্থায় হারিয়ে এখন হাঁটতে পর্যন্ত পারছেন না। একটি ঝুপড়ি ঘরে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন তিনি।

ছেলে ইজি বাইক চালক গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমি সামান্য আয়ের মানুষ। কোনো রকমে বেঁচে আছি। তারপরও আমার সাধ্যমতো মাকে চিকিৎসা দেবার চেষ্টা করছি। কিন্তু মায়ের দরকার ভালো মানের চিকিৎসা। আমার তিন ভাই পুলিশ অফিসার। তারা তাদের স্ত্রী সন্তান নিয়ে অন্যত্র থাকেন। কিন্তু মায়ের কোনো খোঁজ খবর নিচ্ছেন না।

তবে বড় ছেলে পুলিশের এস আই ফারুখ হোসেন বলেন, আমার মাকে আমরা অনেক বার চিকিৎসা করিয়েছি। তার কাগজ পত্র আমার কাছে আছে। বর্তমানে মা বেশি অসুস্থ। তাকে উন্নতমানের চিকিৎসা দেয়া দরকার। কিন্তু আমরা দুই ভাই মিলে মা’কে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনতে চাইলে গিয়াস উদ্দিন বাধা দেয় এবং আমাদের ফিরে আসতে বাধ্য করে।সূত্র- আরটিএনএন

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft