1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৯শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী গোবিন্দগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে দো’আ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় নারী দিবস উপলক্ষে নারী সমাবেশ ও মানববন্ধন সাঘাটায় ঐতিহাসিক বদর দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল গোবিন্দগঞ্জে ‘হানিট্র্যাপ’ অভিযোগে মামলা দায়ের : গ্রেফতার ১ সরকার সকল স্তরে নারীর সক্রিয় ও কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী পলাশবাড়ীর পল্লীতে জোরপূর্বক জমি দখলের প্রতিবাদে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন পীরগঞ্জে পাবলিক গোরস্তান পরিণত হচ্ছে ভাগাড়ে; মানবিকতা ও পরিবেশের এক নীরব সংকট তারাগঞ্জের বিড়াবাড়ি বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: ক্ষতি সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি কেবলমাত্র ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারে : ট্রাম্প

সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভাঙ্গনে বসতবাড়ি বিলীন

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় তিস্তার নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে ৭ শতাধিক বসতবাড়ি, আবাদী জমি বিলীন হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে কমিউনিটি ক্লিনিকসহ কয়েকটি স্থাপনা।

বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পানির তীব্র স্রোতে  ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলো হচ্ছে কাপাসিয়া ইউনিয়নের লালচামার, পোড়ার চর, কালাই সোতার চর, শ্রীপুর ইউনিয়নের পুটিমারী, বেলকা ইউনিয়নের চর বেলকা, কিশামত সদর, বেলকা নবাবগঞ্জ, হরিপুর ইউনিয়নের লখিয়ারপাড়া, পাড়া সাদুয়া, হাজারির হাট, কাশিমবাজার, হরিপুর খেয়াঘাট, কঞ্চিবাড়ি ইউনিয়নের ছয়ঘড়িয়া ও চন্ডিপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ি, কামারের ভিটা, মালভাঙ্গা।

আবাদী জমিসহ বসতবাড়ি হারিয়ে পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে। বেলকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ জানান তার ইউনিয়নে এ পর্যন্ত অর্ধশতাধিক বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ইতোমধ্যে চর বেলকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় ওই এলাকার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন সরকার জানান, তার ইউনিয়নে এ পর্যন্ত ২৮৭টি পরিবারের বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এর মধ্যে ২  নং ওয়ার্ডে ২৫ পরিবার, ৩ নং ওয়ার্ডে ২৫ পরিবার, ৬ নং ওয়ার্ডে ১৫০ পরিবার, ৭ নং ওয়ার্ডে ৪৭ পরিবার ও ৮ নং ওয়ার্ডে ৪০ পরিবার।

তিনি আরও জানান, হুমকির মুখে পড়েছে শতাধিক বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শত শত হেক্টর আবাদী জমি। হরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান নাফিউল আলম সরকার জিমি জানান, তার ইউনিয়নে ৩০০ পরিবারের বসতবাড়ি ও আবাদী জমি বিলীন হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার জানান, এ পর্যন্ত উপজেলায় ৭০০ পরিবারের বসতবাড়ি ও আবাদী জমি তিস্তার গর্ভে বিলীন হয়েছে। এদিকে ভাঙ্গন কবলিত কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে। তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!