1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
১২ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
“আমি আপনাদের পাশে খাদেম হয়ে থাকতে চাই”-এটিএম আজহারুল ইসলাম তারাগঞ্জে ফলের বাজারে আগুন: তরমুজ ও বিদেশি ফলের দামে দিশেহারা ক্রেতারা। গোবিন্দগঞ্জে ২০ কেজি গাঁজাসহ মোটরসাইকেল উদ্ধার রমজানে অন্যত্র অভিযান, পলাশবাড়ীতে নীরবতা কেন? বিডিআর শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন আজ জাতীয় শহীদ সেনা দিবস গাইবান্ধার সাঘাটায় রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমান আদালত পলাশবাড়ীতে সেচ প্রকল্পের পাইপ কেটে আড়াই লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ: থানায় অভিযোগ। তারাগঞ্জের প্রধান সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগে নির্মাণকাজ বন্ধ পলাশবাড়ীতে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ: হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদ

গাইবান্ধায় পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর আত্মহনন ঘটনার তদন্ত অনুষ্ঠিত

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০১৭
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধা সদর থানার এসআই দেবাশিষ সাহার স্ত্রী লাবণী সাহা রুপসী’র আত্মহননের ঘটনা তদন্তে গতকাল সোমবার দুপুরে সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সুপার তানজিলুর রহমান ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি রাধাকৃষ্ণপুর এলাকায় যেখানে লালমনিরহাট এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাপিয়ে পড়ে লাবনী আত্মহত্যা করেন সেই স্থানটি পরিদর্শন করেন। এ সময় বালাদেশ মহিলা পরিষদ ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশ সুপার তানজিলুর, লাবনীর বাবা গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, কাকা নন্দ সাহা, মামা হরিদাস সাহাসহ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রণজিৎ বকসি সূর্য, চঞ্চল সাহার কাছে বিস্তারিত বিবরণ গ্রহণ করেন। লাবণীর বাবা বলেন, তার মেয়েকে স্বামী এস আই দেবাশীষ আত্মহননে প্ররোচিত করে।

পুলিশ সুপার তানজিলুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় প্রমান গ্রহন করা হবে। মোবাইলের কললিস্ট সংগ্রহ করেও দেখা হবে। তদন্তে প্রয়োজনে সিআইডি ও পিবিআইকেও দায়িত্ব দেয়া হতে পারে। স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ গাইবান্ধা জেলা শাখা দেবাশীষের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করে একটি সা¥ারকলিপি তদন্ত সংশ্লিষ্টদের হাতে তুলে দেয়। এসময় পুলিশ সুপারের সাথে পরিষদের সভাপতি আমাতুর নূর ছড়া ও সম্পাদক রিকতু প্রসাদসহ অন্য নেতা কর্মীরা মতবিনিময় করেন।

এ বছরের ৩ মার্চ কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার দেবাশীষ সাহার সাথে একই জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার লাবনী সাহার বিয়ে হয়। গাইবান্ধা সদর থানায় বদলীর পর পুলিশ সাব ইন্সপেক্টর দেবাশীষ তার স্ত্রী সহ জেলা শহরের মাস্টারপাড়ায় বসবাস শুরু করেন। বিয়ের আগের প্রেমিকার সাথে সম্পর্ক রাখাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে প্রতিদিন ঝগড়া ঝাটি লেগেই থাকতো। আগের রাতেও দেবশীষ লাবণীকে মারধোর করেন। গত বৃহস্পতিবার ১০ আগস্ট সকালে ঘরে তালা দিয়ে লাবণীকে আটকে রেখে দেবাশীষ বাসা থেকে বের হয়ে যান। আত্মীয় স্বজন তালা খুলে দিলে দুপুরের পর লাবনী আতœহত্যা করেন। দেবাশীষসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দানের মামলা করে পরিবার।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!