1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩০ অপরাহ্ন
১৭ই পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১২ই রজব, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
গাইবান্ধায় প্রথম আলো বন্ধুসভার নতুন কমিটির নেতৃত্বে মেহেদী ও নিফাউল নাগরিক উদ্যোগ মিডিয়া ফেলোশিপ পেলেন সময়ের আলোর কায়সার রহমান রোমেল গাইবান্ধায় ১০ দলীয় নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় ও আলোচনা সভা বিদায় ২০২৫, স্বাগতম ২০২৬ পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন নির্বাচন সামনে রেখে পলাশবাড়ী–সাদুল্লাপুরে মন্দির পাহারার আহ্বান, তবে হামলার কোনো আশঙ্কা দেখছেন না স্থানীয়রা ও প্রশাসন তারাগঞ্জে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের রাইস মিলে ডাকাতি তারাগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতা এমদাদুল গ্রেপ্তার বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গাইবান্ধায় শোক ও কোরআন খতম বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গোবিন্দগঞ্জে বিএনপির শোক ও দো’আ

বয়স ৫ হবার আগেই শিশুকে যে ৫টি বিষয় শেখানো দরকার

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ১০ এপ্রিল, ২০১৭
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

পাঁচ বছর বয়সটা বাচ্চাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়স। বাচ্চাদের চরিত্র গঠনের উপযুক্ত সময় থাকে এটি। পাঁচ বছর হওয়ার আগেই কিছু বিষয়ে অভ্যস্ত করে তোলুন আপনার বাচ্চাটিকে। অনেক বাবা মা মনে করেন এটি খুব অল্প বয়স বাচ্চাদেরকে নৈতিকতা শিখানোর। কিন্তু এটি ভুল ধারণা। সাধারণত ছোট বয়সে বাচ্চাদের যা শিখানো সেটি তারা সারাজীবন মনে রাখে। কিছু বিষয় আছে যা পাঁচ বছর বয়সের মধ্যে প্রতিটি বাচ্চার শেখা উচিত।

১। সততা
আপনার বাচ্চাটির বয়স পাঁচ বছরে…

পৌঁছানোর আগে সততার বিষয়টির সম্পর্কে জানান। সে যেন সবসময় সত্য কথা বলে। ছোটখাটো মিথ্যাকেও প্রশ্রয় দিবেন না। এটি তার মিথ্যা বলার প্রবণতা বাড়িয়ে দিবে। মিথ্যা বলা, ঠকানো বা চুরি করা কোন বিষয়কে অবহেলা করবেন না। সত্য কথা বলা শিখান। যদি সে মিথ্যা বলে সেটি নিয়ে খুব বেশি রাগারাগি করবেন না। বরং কিভাবে সে সত্য কথা বলবে সেটি তাকে শিখান।
২। দায়িত্ববোধ
শুনতে অদ্ভুত শোনালেও এটি সত্য। ছোট বয়সে যদি বাচ্চারা দায়িত্ব নেওয়া শিখে যায় তবে তারা একজন দায়িত্ববান মানুষ হয়ে গড়ে উঠে। খুব বেশি কাজের দায়িত্ব তাদের উপর চাপাবেন না। ছোট ছোট কাজ যেমন নিজের খেলনাটা ঠিকমত দেখে রাখা, ঠিক জায়গায় গুছিয়ে রাখা, ময়লা কাপড়টি লন্ড্রি বাস্কেটে রাখা, অথবা ছোট ভাই বা বোনটির যত্ন নেওয়া। এই ছোট ছোট বিষয়গুলো তার মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি করে থাকে।
৩। সংকল্প
সংকল্প ছাড়া কোন বাচ্চা তার কাজে সাফল্য অর্জন করতে পারে না। এটি শুধু বাচ্চার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। সংকল্প ছাড়া কেউ কোনদিন জীবনে সাফল্য অর্জন করতে পারে নি। তাই এই বিষয়টির সাথে ছোট থেকে বাচ্চাদের পরিচয় করে দিন।
৪। সমবেদনা
যখন অন্য কোন বাচ্চা পিছলে পড়ে যাবে, তখন আপনার বাচ্চাটি যেন না হেসে পড়ে যাওয়া বাচ্চাটিকে উঠতে সাহায্য করে। অন্যের কষ্টে সে যেন খুশি না হয়। এটি তাকে হিংসা থেকে দূরে রাখবে। অন্যের কষ্টে খুশি হওয়ার কিছু নেই, এই ঘটনাটি তার সাথেও হতে পারত- এই বিষয়টি তাকে বুঝিয়ে বলুন।
৫। সম্মান
এটি খুব জরুরি একটি বিষয়। বড়দের সম্মান করার পাশাপাশি ঘরের গৃহকর্মীকেও সম্মান করা শিখান। অনেক সময় বড়দের দেখাদেখি বাচ্চারা ঘরের গৃহকর্মীর সাথে খারাপ ব্যবহার করে থাকেন। তাই গৃহকর্মীর সাথে খারাপ ব্যবহার করার আগে একবার ভাবুন আপনার বাচ্চাটিও কিন্তু এটি শিক্ষা পাচ্ছে।
এক থেকে পাঁচ বছর বয়সটি অনেক নাজুক একটি সময়। এই সময়ে বাচ্চাদের যা শেখাবেন তারা তাই শিখবে। তা ভাল হোক বা খারাপ।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft