
বগুড়ায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও তার মাকে শারীরিক নির্যাতনের পর চুল কেটে ন্যাড়া করে দেয়ার ঘটনার প্রধান হোতা শ্রমিকলীগ নেতা তুফান সরকারের বড় ভাই শহর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন সরকারকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ডাবলু জানান, ছাত্রী ধর্ষণ, নির্যাতন ও মাসহ তাকে ন্যাড়া করে দেয়ার ঘটনায় মতিনের পরিবারের সদস্যদের নাম আসায় যুবলীগের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই শহর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক আবদুল মতিন সরকারকে সংগঠন থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
জেলা যুবলীগ সভাপতি শুভাশীষ পোদ্দার লিটন জানান, আব্দুল মতিন তার ছোট ভাই তুফান সরকারের বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ কারণে তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় কমিটিতে সুপারিশ করা হয়েছিল। সেই সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে আব্দুল মতিন সরকারকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
যুবলীগ নেতা আব্দুল মতিনের ছোট ভাই শ্রমিক লীগ নেতা তুফান সরকার গত ১৭ জুলাই এক কিশোরীকে তার বাড়িতে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। ওই ঘটনার ১০দিন পর তার স্ত্রী আশা এবং বড় বোন ওয়ার্ড কাউন্সিলর মার্জিয়া হাসান রুমকি ওই কিশোরী এবং তার মায়ের মাথা ন্যাড়া করে তাদের নির্যাতন করে।
পরে ওই ঘটনায় কিশোরী মা বাদী হয়ে মামলা করলে পুলিশ তুফান সরকার তার স্ত্রী আশা, বড় বোন মার্জিয়া হাসান রুমকিসহ মোট ১১জনকে গ্রেপ্তার করে। মামলার পর তুফান সরকারকে শ্রমিক লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।