1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন
৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২রা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
সরকারের প্রতি সবার অধিকার সমান: প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল থেকে রমজান মাস শুরু, ১৬ মার্চ দিবাগত রাতে শবে কদর সুজন মহুরীর হত্যার প্রতিবাদে গাইবান্ধা আইনজীবী সহকারি সমিতির মানববন্ধন ও বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন তারেক রহমান শিক্ষা ব্যবস্থাকে বিশ্বমানে উন্নীত করাই প্রধান লক্ষ্য : শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন সাংবাদিকদের সমস্যা সমাধান ছাড়া গণমাধ্যমের উন্নয়ন সম্ভব নয় : তথ্যমন্ত্রী যুবদল নেতার ওপর সশস্ত্র হামলার প্রতিবাদে গাইবান্ধায় প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত ‎দুলু কেবিনেট মন্ত্রী হওয়ায় লালমনিরহাটে বইছে আনন্দের জোয়ার, জেলা জুড়ে মিষ্টি বিতরণ প্রধান সড়কে তুলার দোকান, প্রকাশ্য তুলোধুনোতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের জন্য চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ

মাছ ধরার পলো তৈরি করে সংসার চালায় ওরা

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ৩১ জুলাই, ২০১৭
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ মাছ ধরার পলো তৈরি করে বাজারে বিক্রি মাধ্যমে সংসার চালায় ওরা। পারিবারিক দৈন্য-দশা আর মোটা পূজির অভাবে অন্য পেশায় যুক্ত হতে পারেননি বলে জানান, চিত্তরঞ্জন, মানিক ও সতন তরণি। এ পেশা ছাড়াও তাদের আরও একটি পৈত্রিক পেশা আছে বলে জানান তারা। সেটি হলো গ্রাম বাংলার ঢাকি-কুলা, চালুন-চাই তৈরির কাজ। সেটিও তৈরি হয় বাঁশ দিয়েই। তাদের মতে বর্ষা মৌসুমে ঢাকি-কুলা আর চালুন খুব একটা বিক্রি হয়না। তাই তারা এই মৌসুমটাতে মাছ ধরার পলো তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
এক একটি পলো বাজারে বিক্রি হয় ১২০-১৪০ টাকায়। এতে তাদের লাভ হয় পলো প্রতি ৪০-৫০ টাকা। যা দিয়ে তাদের ছেলে মেয়ের লেখা-পড়ার খরচসহ কোন রকমে সংসার চলে।
পলো তৈরি করতে প্রয়োজন হয় বাশ, সুতা আর হাতের নিপুন গাঁথুনি। একটি বাঁশ দিয়ে ৪ থেকে ৫টি পলো তৈরি করা যায়। প্রতিদিন এক জনে ৪ থেকে ৫টি করে পলো তৈরি করেন। এতে তাদের লাভ হয় ১৬০-২০০টাকা। এদিয়ে কোন রকমে লবণ ভর্তায় চলে তাদের সংসার।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের দারিয়াপুর অঞ্চলের বাসিন্দা মৃত নিত্যানন্দ তরণি দাসের পুত্র চিত্তরঞ্জন, মানিক ও সতন তরণি। মাতা জোসনা রানী।
তাদের দাবী সরকার যদি তাদের সহজ সর্তে ঋণদিয়ে সহযোগিতা করতো তাহলে তারা এই বাঁশ শিল্পটিকে টিকিয়ে রাখতে পারতেন।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!