1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন
৫ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১লা রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
প্রধান সড়কে তুলার দোকান, প্রকাশ্য তুলোধুনোতে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ২০২৭ বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের জন্য চ্যালেঞ্জের মুখে বাংলাদেশ ফুলছড়িতে নবজাগরণ পাঠাগারের আয়োজনে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত গাইবান্ধায় শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা গাইবান্ধায় নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার : মিলল হাতে লেখা চিরকুট তারাগঞ্জে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৫ মাসের জেল তারেক রহমানের রাষ্ট্রনায়ক হয়ে ওঠার পথপরিক্রমা ধানমন্ডিতে জোড়া খুন: গৃহকর্মী সুরভীর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হামলায় নিহত ১৪ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান

সুন্দরগঞ্জে ‘শরিতুল্যাহ মাস্টার তিস্তা সেতু’ নামে হরিপুর-চিলমারী সেতুর নামকরণের দাবী

  • আপডেট হয়েছে : সোমবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৫
  • ৩২৯ বার পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীর বাজার-কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার সাথে সংযোগকারী সড়কে তিস্তা নদীর ওপর ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতুর নামকরণ ‘শরিতুল্যাহ মাস্টার তিস্তা সেতু’ করার দাবীতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী। আগামী ২০ আগস্ট সেতুটি উদ্বোধন করা হবে।

সোমবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সেতু এলাকায় ‘শরিতুল্যাহ মাস্টার তিস্তা সেতু’ বাস্তবায়ন কমিটি ও এলাকাবাসী আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী এ অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় দু’শতাধিক এলাকাবাসী অংশ নেয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন হাসান মাসুদ খান বাদল, শরিফুল ইসলাম, রাখিকুল রহমান, বিপুল মিয়া ও শামীম মন্ডল প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর এবং কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মধ্যবর্তী তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত এ সেতুটি বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯৫ সাল থেকে শরিতুল্যাহ মাস্টার নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। উপহাস ও নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও তিনি তিন দশক ধরে আন্দোলন চালিয়ে যান। মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে তাঁর এই প্রচেষ্টা আজ সফল হয়েছে।

তারা আরো বলেন, সেতুটি নির্মিত হওয়ার আগে তিস্তা নদী পারাপারে স্থানীয় মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে শরিতুল্যাহ মাস্টার ‘তিস্তা সেতু বাস্তবায়ন কমিটি’ গঠন করেন এবং জনসাধারণের কাছে সেতুর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তাঁর নেতৃত্ব, প্রচেষ্টা এবং জনগণের সাড়া মিলিয়ে অবশেষে সেতু বাস্তবায়িত হয়। এটি শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন নয়, বরং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বক্তারা বলেন, এই সেতু কেবল একটি অবকাঠামো নয়; এটি শরিতুল্যাহ মাস্টারের তিন দশকের স্বপ্ন, আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের প্রতীক। তার স্মৃতিকে সম্মান জানাতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তার অবদান তুলে ধরতে সেতুটির নামকরণ ‘শরিতুল্যাহ মাস্টার তিস্তা সেতু’ করার জোর দাবী জানান তারা।

গত ১০ আগস্ট পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ শামীম বেপারী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তিস্তা পিসি গার্ডার সেতুর নাম ‘মওলানা ভাসানী সেতু’র নামকরণের বিষয়টি জানা গেছে।

উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনালর সহ-সভাপতি মো. মোজাহারুল ইসলাম বলেন, সেতুটির নামকরণ ‘শরিতুল্যাহ মাস্টার তিস্তা সেতু’ করায় এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী মনের দিক থেকে বিষয়টি মেনে নিতে পারছে না।

উপজেলার পাঁচপীর বাজারস্থ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এসএএস এর নিবাহী পরিচালক এবিএম নূরুল আকতার মজনু বলেন, সেতুটির নামকরণ যদি ‘মওলানা ভাসানী সেতু’ হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে সেতুটির নামকরণ ‘শরিতুল্যাহ মাস্টার তিস্তা সেতু’ করার জন্য এলাকাবাসী মানববন্ধন করেছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা নিবাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলীর কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পাঁচপীরবাজার-কুড়িগ্রামের চিলমারি উপজেলা সদরের সাথে সংযোগকারি সড়কে তিস্তা নদীর উপর ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করছেন চায়না ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। সেতুটি নির্মাণে অর্থ প্রদান করছেন সৌদি ডেভেলোপম্যান্ট ফান্ড। এতে ব্যয়হবে ৭৩০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।

২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারি গাইবান্ধার সার্কিট হাউজে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হরিপুর-চিলমারী তিস্তা সেতুটি ভিত্তি উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৮ সালের পর ২০২১ এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালে সংযোগ সড়কসহ সেতু নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল।

তিস্তা সেতু বাস্তবায়ন আন্দোলনের নেতা প্রবীণ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আ.ব.ম শরিতুল্যাহ মাস্টার বলেন, ২০০০ সাল থেকে তিস্তা সেতু বাস্তবায়ন আন্দোলন শুরু কর হয়। ২০১২ সালে এসে তিস্তা সেতু নির্মাণ আলোর মুখ দেখতে শুরু করে। এর পর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম প্রামানিকের সার্বিক সহযোগিতায় ২০১৪ সালে সেতুটির নির্মাণ কাজের সূচনা হয়।

দ্বিতীয়বারের মতো ২০২০ সালের ৬ জুলাই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর-চিলমারী উপজেলা সদরের সাথে সংযোগকারী সড়কে তিস্তা নদীর ওপর ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ (দ্বিতীয় সংশোধীত) প্রকল্প অনুমোদন দেয়।

খবরটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!