1. arifcom24@gmail.com : Arif Uddin : Arif Uddin
  2. admin@khoborbari24.com : arifulweb :
  3. editor@khoborbari24.com : editor : Musfiqur Rahman
  4. hostinger@khoborbari24.com : Hostinger Transfer : Hostinger Transfer
  5. khoborbari@khoborbari24.com : Khoborbari : Khoborbari
  6. khobor@gmail.com : :
বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
শিরোনামঃ
ভিত্তিহীন অভিযোগে ক্ষুব্ধ পলাশবাড়ী এসি ল্যান্ড আল ইয়াসা রহমান: সাংবাদিকদের তথ্য যাচাই ছাড়া প্রতিবেদন এড়িয়ে চলার আহ্বান ইরানে যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত নিহত ৭৮৭ : রেড ক্রিসেন্ট ভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলের কারণে যানবাহনের গতি বেড়েছে পলাশবাড়ীতে সামাজিক বনায়নের গাছ কাটায় অনিয়মের অভিযোগ: তদন্তে উপজেলা প্রশাসন খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জামায়াতের মনোনয়ন পেলেন তরুণ সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার সলিমুল্লাহ সলিল গোবিন্দগঞ্জে ৯৯০ পিস বুপ্রেনরফিন (এম্পল) ইনজেকশনসহ নারী মাদক কারবারী আটক দেশব্যাপী ধর্ষণ ও জেলায় ধারাবাহিক খুন ছিনতাইয়ের প্রতিবাদে সমাবেশ পীরগঞ্জের সাগুনী শালবনের ছায়ায় দোলের রঙ, ৮ নং দৌলতপুর ইউনিয়নে বসন্তোৎসবের উচ্ছ্বাস গাইবান্ধায় সার সিন্ডিকেট বন্ধের দাবীতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ গাইবান্ধায় জেলা বিনিয়োগ ও ব্যবসায় উন্নয়ন সহায়তা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ভিত্তিহীন অভিযোগে ক্ষুব্ধ পলাশবাড়ী এসি ল্যান্ড আল ইয়াসা রহমান: সাংবাদিকদের তথ্য যাচাই ছাড়া প্রতিবেদন এড়িয়ে চলার আহ্বান

  • আপডেট হয়েছে : বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

খবরবাড়ি ডেস্কঃ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা-এর সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসা রহমান তাপাদারকে জড়িয়ে সম্প্রতি একটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, সংবেদনশীল বিষয়ে যথাযথ অনুসন্ধান ছাড়াই এ ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশ দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার পরিপন্থী।
গত ১ মার্চ ঢাকা থেকে পরিচালিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা প্রকাশ-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এলেঙ্গা–হাটিকুমরুল–রংপুর চার লেন প্রকল্পের আওতায় জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-এর নাম উল্লেখ করে অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, উত্থাপিত অভিযোগগুলো তথ্যনির্ভর নয় এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই ছাড়াই তা প্রকাশ করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলএ কেস নং–১/৬৯/১৯৫৭–৫৮-এর আওতায় উপজেলার নুনিয়াগাড়ী মৌজার একটি অংশ ১৯৫৭–৫৮ অর্থবছরে অধিগ্রহণ করা হয় এবং তৎকালীন মালিক ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে একই দাগভুক্ত জমি নিয়ে পুনরায় অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত কিছু অভিযোগ উঠলেও সংশ্লিষ্টরা জানান, বিষয়টি বর্তমানে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্যেই রয়েছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের ভাষ্য, জমি অধিগ্রহণের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট নথি, সময়কাল, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কার্যপরিধি এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া যথাযথভাবে যাচাই করা জরুরি। অন্যথায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তথ্য অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, গাইবান্ধা জেলা এলএ শাখার যেসব কর্মকর্তার নাম আলোচনায় এসেছে, তারা সংশ্লিষ্ট সময়কালে এলএ শাখায় দায়িত্বে ছিলেন না বলে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে উপজেলা গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের বক্তব্য, অভিযোগ থাকলে তা নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হওয়া উচিত। প্রমাণ ও তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধান ছাড়া কোনো ব্যক্তিকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করা অনভিপ্রেত।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল ইয়াসা রহমান তাপাদার বলেন, “সংবাদটি দেখে আমি বিস্মিত হয়েছি। বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করেছি। অভিযোগটি যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে আমলে নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছি।”
সংশ্লিষ্ট মহল সকল সংবাদমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবেদনশীল বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন, বহুমাত্রিক তথ্য-যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য গ্রহণের মাধ্যমে পেশাগত নীতিমালা মেনে সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করতে।

খবরটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

এরকম আরও খবর
© All rights reserved © 2025

কারিগরি সহযোগিতায় Pigeon Soft

error: Content is protected !!