শরীফ মেহেদী হাসান,তারাগন্জ,রংপুরঃ
তারাগঞ্জে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে না হতেই রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে তরমুজসহ সব ধরনের ফলের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষ ইফতারের জন্য পছন্দের ফল কিনতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।
মঙ্গলবার তারাগঞ্জ বাজার ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বাজারে আগাম জাতের তরমুজ উঠলেও তার দাম সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতিটি ফলের দাম কেজিতে ২০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বর্তমানে বাজারে ভালো মানের তরমুজ প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে অথচ পাইকারি বাজারে পিস হিসেবে কেনা তরমুজ খুচরা বিক্রেতারা কেজি দরে বিক্রি করে অধিক মুনাফা লুটছেন বলে অভিযোগ সাধারণ ক্রেতাদের
শুধু তরমুজই নয়, আপেল, মাল্টা, আঙুর ও খেজুরের দামও পাল্লা দিয়ে বেড়েছেআপেল: প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৩০ থেকে ৪০০ টাকায় মাল্টা: কেজি প্রতি ৩১০ থেকে ৩৬০ টাকা আঙুর: জাতভেদে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে ও কলা: স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পেঁপে ৮০-১২০ টাকা এবং কলার দাম ডজনে ৩০-৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে
বাজারে ফল কিনতে আসা আমজাদ হোসেন বলেন, রোজার সময় ইফতারে একটু ফল রাখা জরুরি, কিন্তু যে দাম! তরমুজ এখন পিস হিসেবে না দিয়ে কেজিতে দিচ্ছে, যা আমাদের মতো সাধারণ মানুষের জন্য কেনা অসম্ভব হয়ে পড়েছে
অন্যদিকে, খুচরা বিক্রেতাদের দাবি—পাইকারি বাজারে দাম বেশি এবং পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় তারা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, সিন্ডিকেট করে কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে এই দাম বাড়ানো হচ্ছে।
তারাগঞ্জের সচেতন মহলের দাবি, রমজানে অসাধু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য কমাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান জোরদার করা প্রয়োজন,
অন্যথায় সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর ফল খাওয়া কেবল স্বপ্নই থেকে যাবে।
Leave a Reply
You must be logged in to post a comment.